সোমবার , ০৬ জুলাই ২০২৬
সোমবার , ০৬ জুলাই ২০২৬
হোমবিশ্বগাজার শাসনভার ছাড়ার ঘোষণা বর্তমান প্রশাসনের, নতুন কর্তৃপক্ষের কাছে দায়িত্ব হস্তান্তরের প্রস্তুতি

গাজার শাসনভার ছাড়ার ঘোষণা বর্তমান প্রশাসনের, নতুন কর্তৃপক্ষের কাছে দায়িত্ব হস্তান্তরের প্রস্তুতি

favicon
ভোরের আলো ডেস্ক:
গাজার শাসনভার ছাড়ার ঘোষণা বর্তমান প্রশাসনের, নতুন কর্তৃপক্ষের কাছে দায়িত্ব হস্তান্তরের প্রস্তুতি

গাজা উপত্যকায় নতুন প্রশাসনিক কাঠামো গঠনের পথ সুগম করতে বর্তমান গাজা প্রশাসন তাদের শাসন সংস্থা বিলুপ্তির ঘোষণা দিয়েছে। একই সঙ্গে সরকারের জরুরি কমিটি ভেঙে দেওয়া হয়েছে এবং কমিটির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান মোহাম্মদ আব্দুল খালেক আল-ফাররা পদত্যাগ করেছেন।


সোমবার (৬ জুলাই) প্রকাশিত এক সরকারি বিবৃতিতে জানানো হয়, ‘ন্যাশনাল কমিটি ফর দ্য অ্যাডমিনিস্ট্রেশন অব গাজা’ (এনসিএজি)-এর কাছে বেসামরিক প্রশাসনের দায়িত্ব হস্তান্তরের প্রস্তুতির অংশ হিসেবে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।


গাজা সরকারের মিডিয়া অফিস জানায়, প্রশাসনিক ও আইনি কার্যক্রম সম্পন্ন করা হয়েছে, যাতে নতুন কর্তৃপক্ষের কাছে সরকারি দায়িত্ব নির্বিঘ্নে হস্তান্তর করা যায়। এ বিষয়ে ফিলিস্তিনি রাজনৈতিক দল, গোত্রের প্রতিনিধি, সুশীল সমাজের সদস্য এবং জাতিসংঘের একজন পর্যবেক্ষকের উপস্থিতিতে একটি পরিকল্পনাও উপস্থাপন করা হয়েছে।


সরকারের পক্ষ থেকে বলা হয়েছে, চলমান যুদ্ধ ও মানবিক সংকট মোকাবিলা এবং কায়রোতে ফিলিস্তিনি পক্ষগুলোর মধ্যে হওয়া সমঝোতা বাস্তবায়নের লক্ষ্যেই এই পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে।


বিবৃতিতে আরও উল্লেখ করা হয়, প্রশাসনিক শূন্যতা এড়াতে সরকারি দপ্তরগুলোর কারিগরি ও পেশাদার কর্মকর্তা-কর্মচারীরা নিজ নিজ দায়িত্বে বহাল থাকবেন এবং নতুন প্রশাসনের নির্দেশনা অনুযায়ী কাজ করবেন।


অন্যদিকে, এই ঘোষণাকে গুরুত্ব দিতে নারাজ ইসরাইল। দেশটির এক কর্মকর্তা রাষ্ট্রীয় গণমাধ্যমকে জানান, বর্তমান প্রশাসনের সদস্যরা এখনো তাদের অবস্থানে রয়েছেন, তাই এই পদক্ষেপ বাস্তবে তেমন কোনো পরিবর্তন আনবে না বলে তাদের ধারণা।


এদিকে এনসিএজি জানিয়েছে, প্রয়োজনীয় পরিবেশ ও সুযোগ তৈরি হলেই তারা গাজার প্রশাসনিক দায়িত্ব গ্রহণে প্রস্তুত। যদিও সংস্থাটি কয়েক মাস ধরে কায়রো থেকে কার্যক্রম পরিচালনা করছে, এখনো গাজার ভেতরে সরাসরি দায়িত্ব গ্রহণ করতে পারেনি।


বিশ্লেষকদের মতে, যুদ্ধবিরতি আলোচনা চলাকালে এই ঘোষণা গাজার ভবিষ্যৎ প্রশাসনিক কাঠামো নিয়ে নতুন রাজনৈতিক আলোচনার সুযোগ তৈরি করতে পারে। তবে ক্ষমতা হস্তান্তরের প্রক্রিয়া কীভাবে বাস্তবায়িত হবে, তা এখনো স্পষ্ট নয়।