রবিবার , ১২ জুলাই ২০২৬
রবিবার , ১২ জুলাই ২০২৬
হোমরাজনীতি‘স্বতন্ত্র রাজনীতি না করলে এনসিপির নতুন বন্দোবস্তের আশা শেষ’:রাশেদ খান

‘স্বতন্ত্র রাজনীতি না করলে এনসিপির নতুন বন্দোবস্তের আশা শেষ’:রাশেদ খান

favicon
ভোরের আলো ডেস্ক:
‘স্বতন্ত্র রাজনীতি না করলে এনসিপির নতুন বন্দোবস্তের আশা শেষ’:রাশেদ খান

গণ অধিকার পরিষদের সাবেক সাধারণ সম্পাদক ও বিএনপি নেতা রাশেদ খান বলেছেন, দেশের রাজনৈতিক বাস্তবতায় জাতীয় নাগরিক পার্টি (এনসিপি)-র উত্থান প্রয়োজন ছিল। তবে সাম্প্রতিক জুলাই পদযাত্রায় দলটির প্রতি সাধারণ মানুষের আগ্রহ ও অংশগ্রহণ আগের তুলনায় কমে গেছে বলে তিনি দাবি করেছেন।


শনিবার (১১ জুলাই) নিজের ভেরিফায়েড ফেসবুক অ্যাকাউন্টে দেওয়া এক পোস্টে তিনি এসব মন্তব্য করেন।


রাশেদ খান বলেন, সাভারে এনসিপির পথসভায় ককটেল বিস্ফোরণের ঘটনার পর ঢাকায় বড় ধরনের কোনো প্রতিবাদ গড়ে ওঠেনি। তার দাবি, এনসিপি নেতা ইসহাক সরকারের নেতৃত্বে হওয়া প্রতিবাদী মিছিলেও প্রত্যাশিত জনসমাগম হয়নি।


তার ভাষ্য, একসময় ইসহাক সরকারের আহ্বানে কয়েক হাজার মানুষ রাস্তায় নামলেও বর্তমানে সেই সাড়া আর দেখা যাচ্ছে না।


রাশেদ খান আরও দাবি করেন, এনসিপির সঙ্গে বাংলাদেশ জামায়াতে ইসলামী-র ঘনিষ্ঠতার ধারণা তৈরি হওয়ায় নতুন রাজনৈতিক শক্তি হিসেবে দলটির গ্রহণযোগ্যতা ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। তার মতে, সাধারণ মানুষের একটি অংশ এনসিপিকে জামায়াতের সহযোগী সংগঠন হিসেবে দেখছে।


তিনি বলেন, যদি এনসিপিকে জামায়াতের বিকল্প নয়, বরং একই ধারার দল হিসেবে মানুষ বিবেচনা করে, তাহলে নতুন রাজনৈতিক শক্তি হিসেবে দলটির অবস্থান দুর্বল হয়ে পড়বে। তাই এনসিপিকে নিজেদের রাজনৈতিক অবস্থান স্পষ্ট করতে হবে।


বিএনপির এ নেতা আরও বলেন, এনসিপির শীর্ষ নেতৃত্বের একটি অংশ যদি জামায়াতের সমর্থনে নির্বাচিত হয়ে থাকে, তাহলে দলটি কতটা স্বাধীনভাবে রাজনীতি করতে পারবে—সেই প্রশ্নও সামনে এসেছে।


তার দাবি, এনসিপি স্বতন্ত্র রাজনৈতিক অবস্থান গড়ে তুলতে ব্যর্থ হলে নতুন রাজনৈতিক বন্দোবস্তের আশা শেষ হয়ে যাবে। একই সঙ্গে তিনি আশঙ্কা প্রকাশ করেন, এ ধরনের পরিস্থিতি সৃষ্টি হলে নিষিদ্ধ ঘোষিত বাংলাদেশ আওয়ামী লীগ আবারও রাজনীতিতে প্রাসঙ্গিক হয়ে ওঠার সুযোগ খুঁজতে পারে, যা দেশের জন্য উদ্বেগের কারণ হতে পারে।


রাশেদ খান আরও মন্তব্য করেন, জামায়াতে ইসলামী সাধারণত নিজেদের রাজনৈতিক সক্ষমতা বিবেচনা করেই কৌশল নির্ধারণ করে এবং দলটি সরকার বা প্রধান বিরোধী দলের ভূমিকায় যাওয়ার ক্ষেত্রে সতর্ক অবস্থান নেয়।