সোমবার , ২৭ জুলাই ২০২৬
সোমবার , ২৭ জুলাই ২০২৬
হোমবিশ্বব্রাজিল নির্বাচনে হস্তক্ষেপের অভিযোগে দুই মার্কিন কর্মকর্তার ভিসা বাতিল

ব্রাজিল নির্বাচনে হস্তক্ষেপের অভিযোগে দুই মার্কিন কর্মকর্তার ভিসা বাতিল

favicon
ভোরের আলো ডেস্ক:
ব্রাজিল নির্বাচনে হস্তক্ষেপের অভিযোগে দুই মার্কিন কর্মকর্তার ভিসা বাতিল

আসন্ন প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে প্রভাব বিস্তারের অভিযোগে যুক্তরাষ্ট্রের দুই উচ্চপদস্থ কর্মকর্তার ভিসার আবেদন প্রত্যাখ্যান করেছে ব্রাজিল সরকার। ব্রাজিলের কর্মকর্তাদের বরাতে আন্তর্জাতিক বার্তা সংস্থা রয়টার্স এ তথ্য জানিয়েছে।


ভিসা আবেদন বাতিল হওয়া দুই কর্মকর্তা হলেন মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের সহকারী সচিব রাইলি এম. বার্নস এবং উপসহকারী সচিব স্যামুয়েল স্যামসন। ব্রাজিল সরকারের দাবি, তাদের সফরের উদ্দেশ্য ছিল অক্টোবরে অনুষ্ঠিতব্য প্রেসিডেন্ট নির্বাচনকে প্রভাবিত করা এবং দেশটির নির্বাচনী ব্যবস্থা নিয়ে জনমনে সন্দেহ সৃষ্টি করা।


অক্টোবরে অনুষ্ঠেয় নির্বাচনে বর্তমান প্রেসিডেন্ট লুইজ ইনাসিও লুলা দা সিলভার প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী হিসেবে লড়ছেন কট্টর ডানপন্থী সিনেটর ফ্লাভিও বলসোনারো। তিনি সাবেক প্রেসিডেন্ট জাইর বলসোনারোর ছেলে এবং যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের ঘনিষ্ঠ মিত্র হিসেবে পরিচিত।


ব্রাজিলের এক জ্যেষ্ঠ কর্মকর্তা জানান, নির্বাচনের পরিবেশ অস্থিতিশীল করার চেষ্টা এবং ভোটব্যবস্থা নিয়ে বিভ্রান্তি ছড়ানোর প্রমাণ পাওয়ার পর গত শুক্রবার দুই মার্কিন কর্মকর্তার ভিসার আবেদন বাতিল করা হয়।


তবে ব্রাজিলের অভিযোগ প্রত্যাখ্যান করেছে যুক্তরাষ্ট্র। মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের এক মুখপাত্র বলেন, বার্নস ও স্যামসনের সফরটি মানবাধিকার, গণতন্ত্র ও ধর্মীয় স্বাধীনতা বিষয়ে নিয়মিত কূটনৈতিক আলোচনার অংশ ছিল। নির্বাচনকে প্রভাবিত করার অভিযোগকে তিনি ভিত্তিহীন বলে দাবি করেন।


উল্লেখ্য, ২০২২ সালের প্রেসিডেন্ট নির্বাচনে পরাজয়ের পর সাবেক প্রেসিডেন্ট জাইর বলসোনারো ইলেকট্রনিক ভোটিং ব্যবস্থা নিয়ে বিতর্কিত বক্তব্য দেন। পরে ক্ষমতার অপব্যবহার ও নির্বাচনের ফল পরিবর্তনের ষড়যন্ত্রের অভিযোগে তাকে ২৭ বছরের কারাদণ্ড দেওয়া হয় এবং ২০৩০ সাল পর্যন্ত নির্বাচনে অংশগ্রহণে নিষিদ্ধ করা হয়। বর্তমানে তিনি গৃহবন্দি রয়েছেন।


এদিকে, তার ছেলে ফ্লাভিও বলসোনারোও চলমান নির্বাচনী প্রচারণায় ব্রাজিলের ভোটিং ব্যবস্থা নিয়ে প্রশ্ন তুলছেন, যা দেশটির রাজনৈতিক অঙ্গনে নতুন বিতর্কের জন্ম দিয়েছে।