বুধবার , ১২ আগস্ট ২০২৬
বুধবার , ১২ আগস্ট ২০২৬
হোমসারা দেশ‘গুপ্তদের হুমকি-ধমকি দেখে পাগলও হাসে’: ইশরাক হোসেন

‘গুপ্তদের হুমকি-ধমকি দেখে পাগলও হাসে’: ইশরাক হোসেন

favicon
ভোরের আলো ডেস্ক:
‘গুপ্তদের হুমকি-ধমকি দেখে পাগলও হাসে’: ইশরাক হোসেন

মুক্তিযুদ্ধবিষয়ক মন্ত্রণালয়ের প্রতিমন্ত্রী ও বিএনপির জাতীয় নির্বাহী কমিটির সদস্য ইঞ্জিনিয়ার ইশরাক হোসেন বলেছেন, একসময় যারা আত্মগোপনে থেকে রাজনৈতিক কর্মকাণ্ড চালিয়েছে, তারাই এখন হুমকি-ধমকি দিচ্ছে। তাদের এমন কর্মকাণ্ড দেখে মানুষ হাসে বলেও মন্তব্য করেন তিনি।


মঙ্গলবার (১১ আগস্ট) দুপুরে মুন্সীগঞ্জের শ্রীনগরে স্যার জে সি বোস ইনস্টিটিউট ও কলেজে উপজেলা বিএনপি ও অঙ্গসংগঠনের আয়োজনে বৃক্ষরোপণ ও চারা বিতরণ কর্মসূচিতে প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।


ইশরাক হোসেন বলেন, ২০১৪ সালের পর জামায়াত কোথায় ছিল—এ প্রশ্ন তুলে তিনি দাবি করেন, ওই সময়ের কিছু নেতা ছাত্রলীগের ছত্রচ্ছায়ায় আত্মগোপনে ছিলেন এবং সেখান থেকে বিএনপির নেতাকর্মীদের ওপর নির্যাতন চালিয়েছেন। এখন তারাই হুমকি-ধমকি দিচ্ছেন বলে মন্তব্য করেন তিনি।


তিনি আরও অভিযোগ করেন, বিরোধী দলের কিছু নেতা দেশের বিভিন্ন সংকটকে কেন্দ্র করে অস্থিতিশীল পরিস্থিতি তৈরির চেষ্টা করছেন। দ্রব্যমূল্য, গ্যাস ও জ্বালানি সংকটসহ বিভিন্ন ইস্যুতে আন্দোলনের মাধ্যমে সরকারকে চাপে ফেলার চেষ্টা চলছে বলেও দাবি করেন তিনি।


জুলাই গণঅভ্যুত্থানে বিরোধী দলের ভূমিকা প্রসঙ্গে ইশরাক হোসেন বলেন, আন্দোলনে তাদের অবদান সরকার স্বীকার করেছে। তবে সাম্প্রতিক সময়ে কয়েকজন নেতার কর্মকাণ্ডের কারণে সেই অবদান বিতর্কিত হচ্ছে বলে মন্তব্য করেন তিনি। জুলাই আন্দোলনে নিহত ও আহতদের পুনর্বাসনে সরকারের উদ্যোগের কথাও তুলে ধরেন প্রতিমন্ত্রী।


দেশের জ্বালানি খাত নিয়ে ইশরাক হোসেন বলেন, দীর্ঘদিন ধরে এ খাত একটি ‘মাফিয়া চক্রের’ নিয়ন্ত্রণে ছিল। এর প্রভাব এখনো দেশের মানুষ ভোগ করছে বলে মন্তব্য করেন তিনি। দ্রুত জ্বালানি নীতিমালা গ্রহণ ও বাস্তবায়নের মাধ্যমে পরিস্থিতির উন্নতি করা হবে বলেও জানান তিনি।


তিনি বলেন, কোনো বিদেশি শক্তির প্রভাবে নয়, জনগণের শক্তিকে সঙ্গে নিয়ে স্বাধীন ও সার্বভৌম বাংলাদেশ গড়ার লক্ষ্যে সরকার কাজ করছে।


অনুষ্ঠানে শ্রীনগর উপজেলা বিএনপির সভাপতি মো. শহীদুল ইসলাম সভাপতিত্ব করেন। এতে বিএনপির কেন্দ্রীয় কমিটির স্বেচ্ছাসেবকবিষয়ক সম্পাদক মীর সরাফত আলী সপুসহ স্থানীয় নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।


পরে ইশরাক হোসেন বিক্রমপুর ভূইয়া মেডিক্যাল কলেজের একটি আলোচনা সভায় অংশ নেন এবং সেখানে বৃক্ষরোপণ করেন।