যুদ্ধবিরতি ঘোষণা সত্ত্বেও গোলাগুলির অভিযোগে মুখোমুখি ভারত ও পাকিস্তান
টানা কয়েক দিনের সংঘর্ষ ও উত্তেজনার পর নাটকীয়ভাবে যুদ্ধবিরতিতে সম্মত হয়েছে দক্ষিণ এশিয়ার দুই পারমাণবিক শক্তিধর দেশ—ভারত ও পাকিস্তান। যুক্তরাষ্ট্রের প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের মধ্যস্থতায় ৪৮ ঘণ্টার কূটনৈতিক প্রচেষ্টার পর এই যুদ্ধবিরতির ঘোষণা আসে। পরে ভারত ও পাকিস্তান দু’পক্ষই আনুষ্ঠানিকভাবে যুদ্ধবিরতির ঘোষণা দেয়।
তবে যুদ্ধবিরতির ঘোষণার পরও সীমান্তে শান্তি ফিরে আসেনি। ভারত অভিযোগ করেছে, পাকিস্তান যুদ্ধবিরতি লঙ্ঘন করেছে। পাল্টা জবাবে পাকিস্তানও ভারতের বিরুদ্ধে একই অভিযোগ তুলেছে।
রবিবার ভোরে এক বিবৃতিতে পাকিস্তান জানায়, তারা ভারত–পাকিস্তান যুদ্ধবিরতি চুক্তি বাস্তবায়নে প্রতিশ্রুতিবদ্ধ এবং পুরো নিষ্ঠার সঙ্গে তা মানতে প্রস্তুত। তবে তার আগেই শনিবার দিবাগত রাতে ভারত পাকিস্তানের বিরুদ্ধে চুক্তি লঙ্ঘনের অভিযোগ এনে পাল্টা হামলার কথা জানায়।
পাকিস্তানের পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয় এক বিবৃতিতে ভারতের বিরুদ্ধে পাল্টা অভিযোগ এনে বলেছে, পাকিস্তানি বাহিনী দায়িত্বশীলভাবে পরিস্থিতি মোকাবিলা করছে এবং যেকোনও জটিলতা আলোচনার মাধ্যমে সমাধান করা উচিত। পাশাপাশি সীমান্তে অবস্থানরত সৈন্যদের সংযম বজায় রাখার আহ্বান জানানো হয়।
যুদ্ধবিরতির কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই আবার উত্তেজনার সৃষ্টি হয়। গভীর রাতে এক জরুরি সংবাদ সম্মেলনে ভারতের পররাষ্ট্র সচিব বিক্রম মিশ্রি অভিযোগ করেন, পাকিস্তান ফের গুলিবর্ষণ শুরু করেছে। তিনি একে ‘অত্যন্ত নিন্দনীয়’ উল্লেখ করে এর জন্য সম্পূর্ণভাবে পাকিস্তানকে দায়ী করেন। তবে ইসলামাবাদ এসব অভিযোগ সরাসরি নাকচ করে দিয়েছে। পাকিস্তানের তথ্যমন্ত্রী আতাউল্লাহ তারার বলেন, “যুদ্ধবিরতি চুক্তির কোনও লঙ্ঘন হয়নি।