ঢামেক চিকিৎসককে মারধরের মামলায় আরও দুই আসামি ৩ দিনের রিমান্ডে
ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ (ঢামেক) হাসপাতালের অধ্যাপক ডা. মো. আসাদুর রহমানকে মারধর, ভয়ভীতি দেখানো, হুমকি ও চাঁদা দাবির অভিযোগে করা মামলায় আরও দুই আসামির তিন দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেছেন আদালত।
রিমান্ডে নেওয়া দুই আসামি হলেন সাব্বির হোসেন (১৮) ও ফাহিম ইসরাক লাবিব (২০)।
সোমবার (৭ সেপ্টেম্বর) বিকেলে শুনানি শেষে ঢাকার মেট্রোপলিটন ম্যাজিস্ট্রেট আরিফুল ইসলামের আদালত তাদের রিমান্ড মঞ্জুর করেন। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন প্রসিকিউশন বিভাগের উপপরিদর্শক রোকনুজ্জামান।
এর আগে মামলার তদন্ত কর্মকর্তা পল্টন মডেল থানার উপপরিদর্শক মো. আতিকুজ্জামান দুই আসামিকে আদালতে হাজির করে জিজ্ঞাসাবাদের জন্য প্রত্যেকের ১০ দিন করে রিমান্ড আবেদন করেন। শুনানি শেষে আদালত তাদের তিন দিন করে রিমান্ড মঞ্জুর করেন।
রিমান্ড আবেদনে বলা হয়, আসামিরা রাজধানীর বিভিন্ন এলাকায় চাঁদা আদায়কারী একটি চক্রের সক্রিয় সদস্য। মামলার ঘটনার সঙ্গে তাদের প্রত্যক্ষ ও পরোক্ষভাবে জড়িত থাকার তথ্য-প্রমাণ পাওয়া যাচ্ছে। ঘটনার বিষয়ে আরও তথ্য বের করা এবং জড়িত অন্যদের শনাক্ত করতে তাদের রিমান্ডে নেওয়া প্রয়োজন।
মামলার এজাহার সূত্রে জানা যায়, গত ১৭ আগস্ট রাত ১০টার দিকে পল্টন মডেল থানার শান্তিনগর এলাকার পপুলার ডায়াগনস্টিক সেন্টারের চেম্বার থেকে বের হয়ে সিএনজিচালিত অটোরিকশায় ওঠেন চিকিৎসক আসাদুর রহমান।
অটোরিকশাটি কিছুদূর যাওয়ার পর চার ব্যক্তি সেটির পথরোধ করে দরজা খুলতে বলেন। চিকিৎসক দরজা না খোলার জন্য চালককে বললেও একপর্যায়ে চালক দরজা খুলে দেন। তখন ওই ব্যক্তিরা চিকিৎসককে এলোপাতাড়ি মারধর করেন।
হামলায় তার মাথা, দুই চোখের ওপরে ও শরীরের বিভিন্ন স্থানে জখম হয়। চিকিৎসকের চিৎকার শুনে আশপাশের লোকজন এগিয়ে এলে একজনকে আটক করা হয়। অন্যরা পালিয়ে যান।
খবর পেয়ে পল্টন থানা-পুলিশ ঘটনাস্থলে গিয়ে আহত চিকিৎসককে উদ্ধার করে ঢাকা মেডিক্যাল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে যায়।
পরদিন ১৮ আগস্ট চিকিৎসক আসাদুর রহমান বাদী হয়ে পল্টন থানায় মামলাটি করেন।