মধ্যপ্রাচ্য থেকে মার্কিন কর্মী সরানোর খবর ভিত্তিহীন, জানাল যুক্তরাষ্ট্র
পারস্য উপসাগরীয় অঞ্চলজুড়ে মার্কিন সেনা ও দূতাবাসের কর্মীদের ব্যাপকভাবে সরিয়ে নেওয়ার খবর নাকচ করেছে যুক্তরাষ্ট্র। দেশটির পররাষ্ট্র দপ্তর জানিয়েছে, পুরো মধ্যপ্রাচ্য বা একাধিক দেশ থেকে মার্কিন সরকারি কর্মীদের প্রত্যাহারের কোনো সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়নি। বরং নিরাপত্তাঝুঁকির কারণে সৌদি আরবে অবস্থানরত নির্দিষ্ট কিছু অজরুরি সরকারি কর্মচারী ও তাঁদের পরিবারের সদস্যদের দেশটি ছাড়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
মার্কিন পররাষ্ট্র দপ্তরের মুখপাত্র টমি পিগট সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক পোস্টে এসব তথ্য জানান। তিনি বলেন, সংবাদমাধ্যমে প্রচারিত তথ্য সঠিক নয়। শুধু সৌদি আরবে অবস্থানরত অজরুরি মার্কিন সরকারি কর্মচারী এবং তাঁদের পরিবারের সদস্যদের দেশ ছাড়ার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
টমি পিগট আরও জানান, পুরো মধ্যপ্রাচ্যে মার্কিন উপস্থিতি কমানোর খবরটি ভুল ব্যাখ্যার ফল। সৌদি আরবের অভ্যন্তরীণ নিরাপত্তা পরিস্থিতির অবনতির পরিপ্রেক্ষিতে সতর্কতামূলক ব্যবস্থা হিসেবে এই সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়েছে।
তিনি উল্লেখ করেন, সাম্প্রতিক সময়ে ইরান-সমর্থিত হুতি বিদ্রোহীদের হামলার কারণে সৌদি আরবের বেসামরিক অবকাঠামো ও বিমানবন্দরগুলো নিরাপত্তাঝুঁকির মুখে পড়েছে। এসব হামলায় বেসামরিক মানুষের হতাহতের ঘটনা ঘটছে এবং নিয়মিত বিমান চলাচলও মারাত্মকভাবে ব্যাহত হচ্ছে।
মূলত সৌদি আরবের বিভিন্ন বিমানবন্দরে সাম্প্রতিক হামলার পরিপ্রেক্ষিতে মার্কিন কর্মীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে এ বিশেষ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে বলে জানিয়েছে যুক্তরাষ্ট্র।
এদিকে, দেশটির প্রশাসন জানিয়েছে, অন্যান্য উপসাগরীয় দেশে মার্কিন দূতাবাসগুলোর কার্যক্রম স্বাভাবিক রয়েছে। বিশ্বজুড়ে মার্কিন সরকারি কর্মীদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করাই প্রশাসনের প্রধান অগ্রাধিকার।