জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ মামলায় তারেক রহমান ও জুবাইদা রহমান খালাস
জ্ঞাত আয়বহির্ভূত সম্পদ অর্জনের মামলায় বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান এবং তার স্ত্রী ডা. জুবাইদা রহমানকে খালাস দিয়েছেন হাইকোর্ট।
বুধবার (২৮ মে) বিচারপতি মো. খসরুজ্জামানের একক হাইকোর্ট বেঞ্চে ডা. জুবাইদা রহমানের দণ্ডের বিরুদ্ধে করা আপিলের শুনানি শেষে এ রায় ঘোষণা করা হয়।
আইনজীবীরা জানান, এ রায়ের মাধ্যমে তারেক রহমান দেশের সব মামলায় খালাস পেলেন। মামলাগুলো বিদ্বেষপূর্ণ ও বিচারিক ত্রুটিপূর্ণ ছিল বলে দাবি করেন তারা, ফলে আপিল না করেও খালাসের সুবিধা পেয়েছেন তারেক রহমান।
ডা. জুবাইদার পক্ষে আইনজীবী অ্যাডভোকেট এস এম শাজাহান বলেন, “এই রায়ে প্রমাণিত হয়েছে, বাংলাদেশ ছাড়া জিয়া পরিবারের আর কোনো ঠিকানা নেই।”
এদিকে মামলার অসঙ্গতির বিষয়টি স্বীকার করে দুর্নীতি দমন কমিশনের (দুদক) পক্ষে আইনজীবী আসিফ হাসান জানান, মামলার প্রস্তুতি ও বিচার প্রক্রিয়ায় ঘাটতি ছিল।
উল্লেখ্য, ২০২৩ সালের আগস্টে বিশেষ আদালত তারেক রহমানকে ৯ বছর এবং ডা. জুবাইদা রহমানকে তিন বছরের কারাদণ্ড দেন। পরবর্তীতে ২০২৪ সালের ৫ আগস্ট সরকার ডা. জুবাইদার সাজা এক বছরের জন্য স্থগিত করে।
দীর্ঘ ১৭ বছর পর চলতি বছরের ৬ মে দেশে ফিরে আসেন ডা. জুবাইদা রহমান। এরপর ১৪ মে তাকে জামিন দেন বিচারপতি মো. খসরুজ্জামান এবং ১৩ মে দায়ের করা আপিল শুনানির অনুমতিও দেন আদালত। বিলম্বে আপিলের জন্য করা ৫৮৭ দিনের দেরি মাফের আবেদনও গ্রহণ করা হয়।