সোমবার , ২৭ জুলাই ২০২৬
সোমবার , ২৭ জুলাই ২০২৬
হোমবিশ্বইরানে আরও হামলার হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের, ‘অনেক লক্ষ্যবস্তু এখনও বাকি’ সংবাদ পুনর্লিখন:

ইরানে আরও হামলার হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের, ‘অনেক লক্ষ্যবস্তু এখনও বাকি’ সংবাদ পুনর্লিখন:

favicon
ভোরের আলো ডেস্ক:
ইরানে আরও হামলার হুঁশিয়ারি ট্রাম্পের, ‘অনেক লক্ষ্যবস্তু এখনও বাকি’  সংবাদ পুনর্লিখন:


শান্তি প্রতিষ্ঠিত না হলে ইরানে আরও হামলার হুঁশিয়ারি দিয়েছেন যুক্তরাষ্ট্রের সাবেক প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। বাংলাদেশ সময় রোববার (২২ জুন) সকাল ৮টায় জাতির উদ্দেশে ভাষণে তিনি বলেন, “হয় শান্তি আসবে, না হয় ইরানকে আরও ভয়াবহ পরিণতির জন্য প্রস্তুত থাকতে হবে।”


আল জাজিরার খবরে বলা হয়েছে, ট্রাম্প বলেন, “আমাদের এখনও অনেক লক্ষ্যবস্তু বাকি রয়েছে। আজ রাতের লক্ষ্য ছিল সবচেয়ে কঠিন এবং সবচেয়ে যৌক্তিক। যদি দ্রুত শান্তি না আসে, তাহলে আমরা বাকি লক্ষ্যবস্তুতেও নিখুঁতভাবে, দ্রুত এবং দক্ষতার সঙ্গে হামলা চালাব।”


এ সময় ইসরাইলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুকে ধন্যবাদ জানিয়ে ট্রাম্প বলেন, “আমি নেতানিয়াহুকে অভিনন্দন জানাই। আমরা একটি শক্তিশালী দল হিসেবে কাজ করেছি, যেমনটি আগে কখনো হয়নি। ইসরাইলের ওপর সম্ভাব্য হুমকি প্রতিরোধে অনেকদূর এগিয়েছি।”


ট্রাম্প আরও বলেন, “এই হামলার মূল উদ্দেশ্য ছিল ইরানের পারমাণবিক সমৃদ্ধকরণ সক্ষমতা ধ্বংস করা এবং সন্ত্রাসবাদের প্রধান রাষ্ট্রীয় পৃষ্ঠপোষক হিসেবে ইরান যে হুমকি সৃষ্টি করছে, তা বন্ধ করা। আমি গর্বের সঙ্গে বলছি, আজ রাতের হামলা ছিল চমৎকার একটি সামরিক সাফল্য।”


স্থানীয় সময় ভোরে যুক্তরাষ্ট্র ইরানের তিনটি পারমাণবিক স্থাপনায়—ফোরদো, নাতাঞ্জ ও ইস্পাহানে—হামলা চালায়। ট্রাম্প নিজেই সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ‘ট্রুথ সোশ্যাল’-এ এই হামলার বিষয়টি নিশ্চিত করেন। তিনি লেখেন, “আমরা সফলভাবে তিনটি স্থাপনায় হামলা সম্পন্ন করেছি। সব যুদ্ধবিমান নিরাপদে ইরানের আকাশসীমার বাইরে চলে গেছে।”


এদিকে, ইরানি সংবাদ সংস্থা তাসনিম জানিয়েছে, কোম প্রদেশের ফোরদো স্থাপনায় কিছু অংশ বিমান হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে। কোম প্রভিন্সিয়াল ক্রাইসিস ম্যানেজমেন্ট হেডকোয়ার্টারের মুখপাত্র মোর্তেজা হায়দারি বলেন, “বিমান প্রতিরক্ষা ব্যবস্থা সক্রিয় করে শত্রু লক্ষ্য শনাক্ত করার পর, ফোরদোর কিছু অংশ আক্রান্ত হয়।”


তবে ইরানের রাষ্ট্রীয় সংবাদ সংস্থা আইআরএনএ জানিয়েছে, মার্কিন দাবি অনুযায়ী যেসব পারমাণবিক স্থাপনায় হামলা হয়েছে, সেখানে তেজস্ক্রিয় কোনো পদার্থ ছিল না। ধারণা করা হচ্ছে, ইরানি কর্তৃপক্ষ আগেই সমৃদ্ধ ইউরেনিয়াম বা তেজস্ক্রিয় উপাদান সরিয়ে ফেলেছিল।