সোমবার , ২৭ জুলাই ২০২৬
সোমবার , ২৭ জুলাই ২০২৬
হোমবিশ্বহরমুজে ইরানের প্রস্তুতি: নৌ-মাইন নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের উদ্বেগ

হরমুজে ইরানের প্রস্তুতি: নৌ-মাইন নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের উদ্বেগ

favicon
ভোরের আলো ডেস্ক:
হরমুজে ইরানের প্রস্তুতি: নৌ-মাইন নিয়ে যুক্তরাষ্ট্রের উদ্বেগ

গত মাসে পারস্য উপসাগরে ইরানি সামরিক বাহিনীর একটি জাহাজে নৌ-মাইন তোলা হয়—এমন খবর পাওয়ার পর যুক্তরাষ্ট্রের উদ্বেগ বেড়েছে। ওয়াশিংটন আশঙ্কা করছে, ইসরাইলের বিরুদ্ধে হামলার পর ইরান হরমুজ প্রণালী বন্ধ করে দিতে পারে।


দুই মার্কিন কর্মকর্তার মতে, ইসরাইল ১৩ জুন ইরানে ক্ষেপণাস্ত্র হামলা শুরু করার কিছুক্ষণের মধ্যেই মার্কিন গোয়েন্দারা দেখতে পান—তেহরান হরমুজ প্রণালীতে মাইন বসানোর প্রস্তুতি নিচ্ছে। যদিও এখনো মাইনগুলো মোতায়েন করা হয়নি, তবে এই পদক্ষেপের মাধ্যমে ইরানের সম্ভাব্য কৌশলের ইঙ্গিত পাওয়া যাচ্ছে।


বিশ্বের অন্যতম ব্যস্ত সমুদ্রপথ হরমুজ প্রণালী। বিশ্বব্যাপী তেল ও গ্যাসের প্রায় এক-পঞ্চমাংশ এখান দিয়ে পরিবাহিত হয়। এই পথ বন্ধ হলে বৈশ্বিক জ্বালানি সরবরাহ বিঘ্নিত হবে এবং দাম বেড়ে যেতে পারে।


২২ জুন মার্কিন যুক্তরাষ্ট্র ইরানের তিনটি পারমাণবিক স্থাপনায় হামলা চালানোর পর, ইরানের পার্লামেন্ট হরমুজ প্রণালী বন্ধের একটি প্রস্তাব অনুমোদন করে। যদিও এ নিয়ে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেয়ার ক্ষমতা রয়েছে ইরানের সর্বোচ্চ জাতীয় নিরাপত্তা পরিষদের হাতে।


তবে ইরান অতীতেও প্রণালী বন্ধের হুমকি দিয়েছে, কিন্তু কখনো তা কার্যকর করেনি।


রয়টার্স জানায়, মাইনগুলো ঠিক কখন লোড করা হয়েছে, তা নিশ্চিত হওয়া যায়নি। এমনকি সেগুলো আবার আনলোড করা হয়েছে কিনা তাও অজানা।


এ নিয়ে যুক্তরাষ্ট্র কীভাবে নিশ্চিত হলো—সেটা পরিষ্কার করেনি। ধারণা করা হচ্ছে, এই তথ্য স্যাটেলাইট চিত্র বা গোপন উৎস থেকে সংগ্রহ করা হয়েছে। তবে পেন্টাগন ও জাতিসংঘে ইরানি মিশন এ বিষয়ে কোনো মন্তব্য করেনি।


প্রসঙ্গত: হরমুজ প্রণালী ওমান ও ইরানের মাঝখানে অবস্থিত এবং এটি পারস্য উপসাগরকে ওমান উপসাগর ও আরব সাগরের সঙ্গে যুক্ত করে।

নৌ-মাইন একটি স্বয়ংসম্পূর্ণ বিস্ফোরক যা জাহাজ বা সাবমেরিন ধ্বংসের জন্য পানির নিচে স্থাপন করা হয়।