মঙ্গলবার , ২৮ জুলাই ২০২৬
মঙ্গলবার , ২৮ জুলাই ২০২৬
হোমবিশ্বইসরায়েলের হামলার জবাবে হুতিদের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা

ইসরায়েলের হামলার জবাবে হুতিদের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা

favicon
ভোরের আলো ডেস্ক:
ইসরায়েলের হামলার জবাবে হুতিদের ক্ষেপণাস্ত্র হামলা

ইসরায়েলি সেনাবাহিনী (আইডিএফ) ইয়েমেনের হুতি-নিয়ন্ত্রিত তিনটি বন্দর ও একটি বিদ্যুৎ কেন্দ্রে বিমান হামলা চালিয়েছে। এর জবাবে ইসরায়েলের দিকে আরও ক্ষেপণাস্ত্র ছুঁড়েছে হুতি বিদ্রোহীরা।


স্থানীয় সময় রোববার (৬ জুলাই) আইডিএফ জানায়, তারা লোহিত সাগরের উপকূলে অবস্থিত হুদাইদাহ, রাস-ইসা ও আস-সালিফ বন্দর এবং রাস কাথিব বিদ্যুৎ কেন্দ্রে হামলা চালিয়েছে। এ ছাড়া, হুতিদের দখলে থাকা ‘গ্যালাক্সি লিডার’ নামের একটি বাণিজ্যিক জাহাজে স্থাপিত রাডার টার্গেট করে হামলা চালানো হয়। ওই জাহাজটি এখনও হুদাইদাহ বন্দরে নোঙর করে আছে।


এ হামলায় কোনো হতাহতের খবর এখনও পাওয়া যায়নি। এক মাসের মধ্যে ইয়েমেনে এটিই ইসরায়েলের প্রথম হামলা।


এর আগে, একই দিন ভোরে হুতিরা ইসরায়েলের দিকে ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করে, যা প্রতিহত করার দাবি করে আইডিএফ। এরপর সোমবার (৭ জুলাই) ভোরে ফের দুটি ক্ষেপণাস্ত্র ছোড়ে হুতি গোষ্ঠী। এতে জেরুজালেম, হেবরন ও মৃত সাগরের আশপাশে সতর্কতা সাইরেন বেজে ওঠে।


ইসরায়েলের জরুরি সেবা সংস্থা জানিয়েছে, এই হামলাগুলোতে এখন পর্যন্ত কোনো হতাহত বা ক্ষয়ক্ষতির তথ্য নেই।


হুতিদের দাবি, গাজায় ইসরায়েলি হামলায় আহত ও নিহত ফিলিস্তিনিদের প্রতি সংহতি জানাতেই তারা এসব হামলা চালাচ্ছে।


উল্লেখ্য, ২০২৩ সালে গাজায় যুদ্ধ শুরুর পর থেকে হুতিরা ইসরায়েলের দিকে শতাধিক ক্ষেপণাস্ত্র নিক্ষেপ করেছে এবং লোহিত সাগরের গুরুত্বপূর্ণ বাণিজ্যিক রুটে ১০০টিরও বেশি জাহাজ হামলার শিকার হয়েছে।


চলতি বছরের জানুয়ারিতে হামাস ও ইসরায়েলের মধ্যে যুদ্ধবিরতির সময় হুতিরা তাদের আক্রমণ বন্ধ রেখেছিল। তবে মার্চের ১৫ তারিখে যুক্তরাষ্ট্র ইয়েমেনে হামলা চালালে তারা আবার আক্রমণ শুরু করে, যার ফলে কয়েক সপ্তাহে প্রায় ৩০০ মানুষের প্রাণহানি ঘটে।