সোমবার , ২৭ জুলাই ২০২৬
সোমবার , ২৭ জুলাই ২০২৬
হোমবিশ্বনিউইয়র্কে শহীদ পুলিশ কর্মকর্তা দিদারুল ইসলামের জানাজায় ২০ হাজার মুসল্লির অংশগ্রহণ

নিউইয়র্কে শহীদ পুলিশ কর্মকর্তা দিদারুল ইসলামের জানাজায় ২০ হাজার মুসল্লির অংশগ্রহণ

favicon
অনলাইন সংস্করণ
নিউইয়র্কে শহীদ পুলিশ কর্মকর্তা দিদারুল ইসলামের জানাজায় ২০ হাজার মুসল্লির অংশগ্রহণ

নিউইয়র্কে বন্দুকধারীর গুলিতে নিহত বাংলাদেশি বংশোদ্ভূত পুলিশ অফিসার দিদারুল ইসলাম (৩৬) হাজারো মানুষের ভালোবাসা ও শ্রদ্ধায় শেষ বিদায় নিলেন। বৃহস্পতিবার (৩১ জুলাই) ঝড়-বৃষ্টি উপেক্ষা করেও পার্কচেস্টারের জানাজায় অংশ নেন প্রায় ২০ হাজার মুসলিম।


নিউইয়র্ক পুলিশ বিভাগের ৫ হাজার সদস্যসহ গভর্নর, মেয়র ও আইনপ্রণেতারা জানাজায় অংশ নেন এবং দিদারুলের সাহসিকতার প্রশংসা করেন।


পার্কচেস্টার জামে মসজিদের ইমাম ড. জাকির আহমান বলেন, “দিদারুল একজন কঠোর পরিশ্রমী বাংলাদেশি-মুসলিম আমেরিকান ছিলেন। তিনি আমেরিকাকে রক্ষা করাকে নিজের দায়িত্ব মনে করতেন এবং নিজের জীবন উৎসর্গ করেছেন।”


নিউইয়র্ক সিটির মেয়র এরিক অ্যাডাম বলেন, “একজন অভিভাবক হিসেবে দিদারুলের পরিবারের প্রতি দুঃখ প্রকাশ করছি। তার আত্মত্যাগ আমাদের চিন্তা ও নীতিতে স্থান পাওয়া উচিত।”


পুলিশ কমিশনার জেসিকা টিশ বলেন, “চেয়ে দেখো দিদারুল, পুরো নিউইয়র্ক পুলিশ তোমার পাশে রয়েছে। তোমার এবং তোমার পরিবারের পাশে আমরা সবসময় থাকবো।”


দিদারুলকে সম্মান জানাতে হেলিকপ্টারের মাধ্যমে গার্ড অব অনারও প্রদান করা হয়। পরে তাকে নিউ জার্সির লরেল গ্রোভ কবরস্থানে দাফন করা হয়।


এ ঘটনার পর যুক্তরাষ্ট্রের অস্ত্র আইন নিয়ে আবারও সমালোচনা শুরু হয়েছে। নিউইয়র্কের মেয়রপ্রার্থী জোহরান মামদানি বলেন, “এটি স্পষ্ট যে যুক্তরাষ্ট্রের অস্ত্র আইন দুর্বল। মানসিকভাবে অসুস্থ ব্যক্তি কিভাবে এমন মারাত্মক অস্ত্র সংগ্রহ করতে পারলো, তা ভয়ের বিষয়।”


উল্লেখ্য, গত সোমবার ম্যানহাটনের পার্ক অ্যাভিনিউতে বন্দুকধারীর হামলায় দিদারুলসহ ৪ জন নিহত হন। হামলাকারী শ্যেন ডেভন তামুরা (২৭) পরে আত্মহত্যা করেন।


দিদারুল ইসলাম নিউইয়র্ক পুলিশ বিভাগে ৪ বছর কর্মরত ছিলেন। এর আগে তিনি স্কুল সেইফটি ও ট্রাফিক বিভাগে কাজ করেছেন। তার বাড়ি বাংলাদেশের সিলেট বিভাগের মৌলভীবাজার জেলার কুলাউড়ায়। তিনি দুই সন্তানের জনক এবং তার স্ত্রী আট মাসের অন্তঃসত্ত্বা।