শনিবার , ০২ মে ২০২৬
শনিবার , ০২ মে ২০২৬
হোমবিনোদনলালনের তিরোধান দিবস এখন ‘ক’ শ্রেণির জাতীয় দিবস

লালনের তিরোধান দিবস এখন ‘ক’ শ্রেণির জাতীয় দিবস

favicon
অনলাইন সংস্করণ
লালনের তিরোধান দিবস এখন ‘ক’ শ্রেণির জাতীয় দিবস

লালনের তিরোধান দিবসকে ‘ক’ শ্রেণির জাতীয় দিবস ঘোষণা করেছে সরকার। বৃহস্পতিবার (২৮ আগস্ট) দুপুরে ফেসবুক পোস্টে এ তথ্য নিশ্চিত করেন সংস্কৃতিবিষয়ক উপদেষ্টা মোস্তফা সরয়ার ফারুকী।


ফারুকী বলেন, উপনিবেশিক প্রভাব আমাদের সংস্কৃতিকে সবসময় হেয় করেছে। লালনের গানকে মূলধারার ‘হাই আর্ট’ হিসেবে স্বীকৃতি না দিয়ে ‘ফোক’ ট্যাগ দেওয়া হয়েছিল, আর রক মিউজিককে বলা হয়েছিল ‘অপসংস্কৃতি’। তিনি মন্তব্য করেন, “রাষ্ট্র চিরকাল আমাদের গৌরবময় ঐশ্বর্যগুলোকে রাষ্ট্রীয় উদযাপন থেকে দূরে রেখেছে। অথচ জনগণের চর্চায় এগুলো আন্তর্জাতিকমানে পৌঁছেছে।”


জাতীয় দিবস ঘোষণার তাৎপর্য নিয়ে তিনি বলেন, “এটি জাতিকে আত্মবিশ্বাসী ও আত্মমর্যাদাপূর্ণ করে তুলবে। পাশাপাশি বিশ্বে আমাদের নিজস্ব সাংস্কৃতিক পরিচয় গড়তে সাহায্য করবে।”


এদিন ক‍্যাবিনেট বৈঠকে শুধু লালন নয়, আরও কিছু কালচারাল আইকন নিয়ে আলোচনাও হয়। এর মধ্যে ছিল এস এম সুলতানের জন্মদিনকে ‘ক’ শ্রেণির জাতীয় দিবস ঘোষণা এবং স্বাধীনতা-পরবর্তী সাংস্কৃতিক ফেনোমেনা হিসেবে হুমায়ূন আহমেদ ও বাংলাদেশের রক আইকনদের স্বীকৃতি দেওয়ার প্রস্তাব।


ফারুকী বলেন, “লালন সেলিব্রেশন দিয়ে আমরা রবীন্দ্র-নজরুলের বাইরে তাকাতে শুরু করেছি। একদিন রাষ্ট্রীয়ভাবে আইয়ুব বাচ্চুর মতো কিংবদন্তি শিল্পীদের জন্মদিনও উদযাপন করা হবে। তার মতো মানের মিউজিশিয়ান যেকোনো দেশের জন্যই গর্বের।”