বৃহস্পতিবার , ২৭ আগস্ট ২০২৬
বৃহস্পতিবার , ২৭ আগস্ট ২০২৬
হোমসারা দেশচিতলমারীতে দেশের দক্ষিণাঞ্চলের সর্ববৃহৎ দুর্গোৎসব: এক মণ্ডপে দুই শতাধিক প্রতিমা-বিগ্রহ

চিতলমারীতে দেশের দক্ষিণাঞ্চলের সর্ববৃহৎ দুর্গোৎসব: এক মণ্ডপে দুই শতাধিক প্রতিমা-বিগ্রহ

favicon
অনলাইন সংস্করণ
চিতলমারীতে দেশের দক্ষিণাঞ্চলের সর্ববৃহৎ দুর্গোৎসব: এক মণ্ডপে দুই শতাধিক প্রতিমা-বিগ্রহ

বাগেরহাটের চিতলমারী উপজেলার চরবানিয়ারী পশ্চিমপাড়া গ্রামের চণ্ডীভিটা সর্বজনীন দুর্গা মন্দিরে দেশের দক্ষিণাঞ্চলের সবচেয়ে বড় শারদীয় দুর্গোৎসবের প্রস্তুতি চলছে। এ বছর মণ্ডপে তৈরি হচ্ছে দুই শতাধিক প্রতিমা ও বিগ্রহ, যা এর আগে কখনো হয়নি। গত বছরও এই বিশাল আয়োজন ঘিরে লাখো ভক্ত-পূজারি-দর্শনার্থীর সমাগম হয়েছিল।


মন্দির কমিটি জানায়, প্রতিমাগুলোতে সনাতন ধর্মগ্রন্থ বেদ-পূরাণ-চণ্ডী, রামায়ণ-মহাভারত, গদ্মপুরাণ-গীতা, শ্রীচৈতন্যচরিতামৃত ও শ্রীহরি-গুরুচাঁদের কাহিনি তুলে ধরা হবে। প্রতিমা মানে দেব-দেবী, আর বিগ্রহ মানে দেব-দেবীর বাহন। যেমন- দুর্গার বাহন সিংহ, মহিষাসুরের বাহন মহিষ, কার্তিকের বাহন ময়ূর, গণেশের বাহন ইঁদুর।


প্রতিমা নির্মাণে দায়িত্বপ্রাপ্ত ভাস্কর কিশোর বিশ্বাস জানান, পাঁচজন শিল্পীকে নিয়ে টানা তিন মাস ধরে কাজ চলছে। ১৭১টি দেব-দেবীর মূর্তি ও তাঁদের বাহন মিলিয়ে প্রতিমা-বিগ্রহের সংখ্যা হবে দুই শতাধিক। আগামী ২৫ সেপ্টেম্বরের মধ্যে কাজ শেষ হবে বলে আশা করা হচ্ছে।


মন্দির কমিটির উপদেষ্টা ও মোংলা বন্দর পরিচালক কালাচাঁদ সিংহ বলেন, প্রায় ৬৪ বছর আগে চণ্ডীচরণের পরিত্যক্ত ভিটায় এই মন্দির প্রতিষ্ঠিত হয়। গত বছর এখানে ১০৮টি প্রতিমা-বিগ্রহ তৈরি করা হয়েছিল, যা জেলাজুড়ে আলোচনার সৃষ্টি করে। এবারের আয়োজন আরও বড় করা হয়েছে।


তিনি আরও বলেন, “আমরা স্বেচ্ছাসেবা ও সিসি ক্যামেরার মাধ্যমে নিরাপত্তা নিশ্চিত করব। পাশাপাশি সরকারের সহযোগিতা চাইছি। সবাইকে আসন্ন শারদীয় দুর্গোৎসবে আগাম আমন্ত্রণ জানাচ্ছি।”


সংশ্লিষ্টরা জানান, এ বছর চিতলমারীর ১৫১টি মন্দিরে শারদীয় দুর্গোৎসব অনুষ্ঠিত হবে।