মঙ্গলবার , ২০ অক্টোবর ২০২৬
মঙ্গলবার , ২০ অক্টোবর ২০২৬
হোম › বিশ্ব › ফিলিস্তিনে নিরস্ত্র পুলিশ মোতায়েন করেছে জার্মানি, টেকসই শান্তি প্রতিষ্ঠায় নতুন উদ্যোগ

ফিলিস্তিনে নিরস্ত্র পুলিশ মোতায়েন করেছে জার্মানি, টেকসই শান্তি প্রতিষ্ঠায় নতুন উদ্যোগ

favicon
অনলাইন সংস্করণ
ফিলিস্তিনে নিরস্ত্র পুলিশ মোতায়েন করেছে জার্মানি, টেকসই শান্তি প্রতিষ্ঠায় নতুন উদ্যোগ

মধ্যপ্রাচ্যে টেকসই শান্তি প্রতিষ্ঠার লক্ষ্যে ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে কয়েকজন নিরস্ত্র পুলিশ মোতায়েন করেছে জার্মানি। স্থানীয় গণমাধ্যমের বরাতে বুধবার এ তথ্য জানিয়েছে জার্মান প্রেস এজেন্সি (ডিপিএ)।

জার্মান স্বরাষ্ট্রমন্ত্রী আলেকজান্ডার ডব্রিন্ডট এক বিবৃতিতে বলেন, “মধ্যপ্রাচ্যে স্থায়ী শান্তির জন্য একটি কার্যকর ও প্রশিক্ষিত পুলিশ বাহিনী অপরিহার্য। এ কারণেই আমরা ফেডারেল পুলিশের একটি অভিজ্ঞ দলকে জেরুজালেমে পাঠানোর সিদ্ধান্ত নিয়েছি।”

বার্তা সংস্থা আনাদোলুর প্রতিবেদন অনুযায়ী, এই দলটি ফিলিস্তিনি ভূখণ্ডে বেসামরিক নিরাপত্তা বাহিনীর পুনর্গঠন ও সক্ষমতা বৃদ্ধিতে সহায়তা করছে। কর্মকর্তারা জেরুজালেমে অবস্থিত অফিস ফর সিকিউরিটি (ওএসসি) থেকে কার্যক্রম পরিচালনা করছেন।

চার সদস্যের এই দলটি প্রায় দুই সপ্তাহ আগে ফিলিস্তিনে পৌঁছেছে। তাদের দায়িত্ব হলো জার্মানির দীর্ঘদিনের পুলিশ সহযোগিতা কর্মসূচিকে আরও শক্তিশালী করা এবং স্থানীয় আইন-শৃঙ্খলা রক্ষাকারী বাহিনীকে প্রশিক্ষণ ও কারিগরি সহায়তা প্রদান করা।

জার্মানি গত ১৫ বছর ধরে ফিলিস্তিনে পুলিশ সহায়তা কার্যক্রম পরিচালনা করে আসছে। ডিপিএর তথ্য অনুযায়ী, ২০২৫ সালের শুরু থেকে ইউরোপীয় ইউনিয়নের ‘ইইউবাম রাফাহ’ মিশন পুনরায় সক্রিয় হয়েছে, যার উদ্দেশ্য গাজা-মিশর সীমান্তে নিরপেক্ষ উপস্থিতি বজায় রাখা। বর্তমানে জার্মানির দুইজন পুলিশ কর্মকর্তা এই মিশনে অংশ নিচ্ছেন, যারা ইসরায়েলের রামাত গান-এ অবস্থান করে সমন্বয় ও প্রশাসনিক কাজ পরিচালনা করছেন।

এ ছাড়া, পশ্চিম তীরে ফিলিস্তিনি পুলিশ উন্নয়নে কাজ করা ‘ইইউপোল কপস’ মিশনে জার্মানির অংশগ্রহণ আগামী জানুয়ারি থেকে পুনরায় শুরু হবে।

অন্যদিকে, গাজা উপত্যকার স্থিতিশীলতা উদ্যোগের অংশ হিসেবে জার্মান সশস্ত্র বাহিনীর তিনজন কর্মকর্তা বর্তমানে দক্ষিণ ইসরায়েলে অবস্থান করছেন। প্রতিরক্ষা মন্ত্রণালয়ের তথ্য অনুযায়ী, তারা ইউনিফর্ম পরিহিত হলেও অস্ত্রবিহীন, এবং মার্কিন নেতৃত্বাধীন সিভিল-মিলিটারি কোঅর্ডিনেশন সেন্টার (সিএমসিসি)-এর অধীনে দায়িত্ব পালন করছেন।