ঝিনাইদহ-৪ আসনে বিএনপির প্রার্থী হচ্ছেন গণঅধিকার পরিষদের রাশেদ খান
আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ঝিনাইদহ-৪ আসন থেকে ধানের শীষ প্রতীকে লড়তে যাচ্ছেন গণঅধিকার পরিষদের সাধারণ সম্পাদক রাশেদ খান। আজ বুধবার (২৪ ডিসেম্বর) সকালে রাশেদ খান নিজেই এই তথ্য নিশ্চিত করেছেন।
মনোনয়ন প্রক্রিয়ার নেপথ্যে রাশেদ খান জানান, মঙ্গলবার রাতে গুলশানে বিএনপি চেয়ারপারসনের রাজনৈতিক কার্যালয়ে এক উচ্চপর্যায়ের বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়। বৈঠকে বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য সালাউদ্দিন আহমেদ, খুলনা বিভাগীয় ভারপ্রাপ্ত সাংগঠনিক সম্পাদক অনিন্দ্য ইসলাম অমিত এবং ঝিনাইদহ জেলা বিএনপির সভাপতি এম এ মজিদসহ শীর্ষ নেতারা উপস্থিত ছিলেন। ওই আলোচনায় তাকে এই আসন থেকে মনোনয়ন দেওয়ার বিষয়টি চূড়ান্ত করা হয়।
তারেক রহমানের জনসভার শর্ত রাশেদ খান আরও উল্লেখ করেন যে, তিনি একটি বিশেষ শর্তে এই প্রার্থিতা গ্রহণ করেছেন। তিনি বলেন,
"বিএনপির ভারপ্রাপ্ত চেয়ারম্যান তারেক রহমান নির্বাচনের আগে আমার নির্বাচনি এলাকায় একটি জনসভা করবেন—এই প্রতিশ্রুতি পাওয়ার পরই আমি প্রার্থী হতে রাজি হয়েছি।"
খুব দ্রুতই বিএনপির পক্ষ থেকে এ বিষয়ে আনুষ্ঠানিক ঘোষণা আসার কথা রয়েছে।
স্থানীয় বিএনপিতে অসন্তোষ রাশেদ খানের মনোনয়ন পাওয়ার খবর ছড়িয়ে পড়ার পর থেকেই ঝিনাইদহ-৪ আসনের স্থানীয় বিএনপি নেতাকর্মীদের মধ্যে তীব্র ক্ষোভ ও অসন্তোষ দেখা দিয়েছে। তৃণমূলের অনেক নেতাকর্মী মনে করছেন, দলের দীর্ঘদিনের ত্যাগী কাউকে বাদ দিয়ে অন্য দলের নেতাকে মনোনয়ন দেওয়া মেনে নেওয়া কঠিন। তারা এই আসনে বিএনপির নিজস্ব প্রার্থী দেওয়ার দাবি জানিয়েছেন।
ব্যক্তি পরিচিতি রাশেদ খানের বাড়ি ঝিনাইদহ সদর উপজেলার মুরারিদহ গ্রামে। তিনি ওই গ্রামের নবাই বিশ্বাসের ছেলে এবং বর্তমানে গণঅধিকার পরিষদের কেন্দ্রীয় সাধারণ সম্পাদক হিসেবে দায়িত্ব পালন করছেন।
উল্লেখ্য, ঝিনাইদহের চারটি সংসদীয় আসনের মধ্যে এখন পর্যন্ত কেবল একটিতে (ঝিনাইদহ-৪) সম্ভাব্য প্রার্থীর নাম আলোচনায় এলো। বাকি তিনটি আসনে বিএনপির পক্ষ থেকে এখনও কোনো প্রার্থীর নাম আনুষ্ঠানিকভাবে প্রকাশ করা হয়নি।