বৃহস্পতিবার , ২৭ আগস্ট ২০২৬
বৃহস্পতিবার , ২৭ আগস্ট ২০২৬
হোমসারা দেশগণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে অবস্থান ব্রাহ্মণবাড়িয়ার মুক্তিযোদ্ধাদের

গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে অবস্থান ব্রাহ্মণবাড়িয়ার মুক্তিযোদ্ধাদের

favicon
ভোরের আলো ডেস্ক:
গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে অবস্থান ব্রাহ্মণবাড়িয়ার মুক্তিযোদ্ধাদের


You said:

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটারদের নির্বিঘ্নে ভোট দেওয়ার প্রত্যাশা করেছেন ১০ দলীয় জোট মনোনীত ঢাকা-১১ আসনের প্রার্থী ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। তিনি বলেন, ‘দীর্ঘ ১৬ বছর পর দেশে একটি সুষ্ঠু নির্বাচনের পরিবেশ তৈরি হয়েছে। মানুষ যেন নির্বিঘ্নে ও উৎসবমুখর পরিবেশে ভোট দিতে পারে, সে লক্ষ্যে আমরা মাঠে কাজ করছি।’


আরো পড়ুন

আইসিসির বিরোধ নিষ্পত্তি কমিটিতে গিয়েও ব্যর্থ বাংলাদেশ

আইসিসির বিরোধ নিষ্পত্তি কমিটিতে গিয়েও ব্যর্থ বাংলাদেশ


 

শনিবার (২৪ জানুয়ারি) রাজধানীর শাহজাদপুর বাঁশতলা, নূরের চালা বাজার, নবধারা সড়ক ও একতা সড়ক এলাকায় নির্বাচনী প্রচারণাকালে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে তিনি এ মন্তব্য করেন।



নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘বিএনপির ফ্যামিলি কার্ড বা কৃষক কার্ডের উদ্যোগ ধোঁকাবাজি ও প্রতারণা। এসব ভোট কেনার কৌশলমাত্র। মাঠপর্যায়ে মানুষ এসব প্রতিশ্রুতিতে সাড়া দিচ্ছে না। কারণ অতীতেও এমন প্রতিশ্রুতি দেওয়া হয়েছে, যা বাস্তবায়ন হয়নি।



তিনি বলেন, ‘এবারের নির্বাচন নতুন বাংলাদেশের মানুষের ভাগ্য নির্ধারণের নির্বাচন। একই দিনে গণভোটও অনুষ্ঠিত হবে। মানুষ যেন ভয়ভীতি ছাড়াই ভোট দিতে পারে, সে বিষয়ে আমরা জোর দিচ্ছি। কিন্তু বাস্তবে দেখা যাচ্ছে, ঢাকা-১১ আসনসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় পরিকল্পিতভাবে ভয়ের পরিবেশ তৈরি করা হয়েছে।


তিনি অভিযোগ করে বলেন, ‘নির্বাচনী আচরণবিধি মানা হচ্ছে না। বিভিন্ন স্থানে আচরণবিধি লঙ্ঘন করে পোস্টার টাঙানো হচ্ছে। অথচ আমরা নিয়ম মেনে ব্যানার টাঙাতে গেলে বাধা দেওয়া হচ্ছে, ব্যানার ও ফেস্টুন ছিঁড়ে ফেলা হচ্ছে। এটি স্পষ্টভাবে আচরণবিধি লঙ্ঘনের উদাহরণ।’


নাহিদ ইসলাম বলেন, ‘শুধু প্রতিশ্রুতি দিলেই হবে না, বাস্তবায়নের রূপরেখা থাকতে হবে।rewritw the news and headlines 

ChatGPT said:

নিশ্চিত 👍 নিচে নতুন করে লেখা শিরোনাম ও সংবাদের রিরাইট ভার্সন দিলাম—ভাষা আরও পরিশীলিত ও সংবাদধর্মী রাখা হয়েছে।


শিরোনাম:

সুষ্ঠু ও উৎসবমুখর নির্বাচনের প্রত্যাশা এনসিপি আহ্বায়ক নাহিদ ইসলামের


সংবাদ:

ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে ভোটারদের নির্বিঘ্নে ভোটাধিকার প্রয়োগের প্রত্যাশা ব্যক্ত করেছেন ১০ দলীয় জোট মনোনীত ঢাকা-১১ আসনের প্রার্থী ও জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) আহ্বায়ক নাহিদ ইসলাম। তিনি বলেন, দীর্ঘ ১৬ বছর পর দেশে একটি সুষ্ঠু নির্বাচনের পরিবেশ সৃষ্টি হয়েছে এবং মানুষ যেন ভয়ভীতি ছাড়াই উৎসবমুখর পরিবেশে ভোট দিতে পারে—সে লক্ষ্যে তারা মাঠে কাজ করছেন।


শনিবার (২৪ জানুয়ারি) রাজধানীর শাহজাদপুর বাঁশতলা, নূরের চালা বাজার, নবধারা সড়ক ও একতা সড়ক এলাকায় নির্বাচনী প্রচারণাকালে সাংবাদিকদের প্রশ্নের জবাবে এসব কথা বলেন তিনি।


এ সময় নাহিদ ইসলাম বিএনপির ফ্যামিলি কার্ড ও কৃষক কার্ড উদ্যোগকে ধোঁকাবাজি ও প্রতারণামূলক আখ্যা দিয়ে বলেন, এগুলো মূলত ভোট কেনার কৌশল। মাঠপর্যায়ে মানুষ এসব প্রতিশ্রুতিতে আর সাড়া দিচ্ছে না। কারণ অতীতেও এ ধরনের প্রতিশ্রুতি দেওয়া হলেও সেগুলোর বাস্তবায়ন হয়নি।


তিনি আরও বলেন, এবারের নির্বাচন নতুন বাংলাদেশের মানুষের ভাগ্য নির্ধারণের নির্বাচন। একই দিনে গণভোট অনুষ্ঠিত হবে উল্লেখ করে তিনি বলেন, জনগণ যেন নির্বিঘ্নে ভোট দিতে পারে, সে বিষয়ে তারা গুরুত্ব দিচ্ছেন। তবে বাস্তবে ঢাকা-১১ আসনসহ দেশের বিভিন্ন এলাকায় পরিকল্পিতভাবে ভয়ের পরিবেশ তৈরির চেষ্টা লক্ষ্য করা যাচ্ছে।


নির্বাচনী আচরণবিধি লঙ্ঘনের অভিযোগ তুলে নাহিদ ইসলাম বলেন, বিভিন্ন স্থানে নিয়ম ভেঙে পোস্টার টাঙানো হচ্ছে। অথচ তারা নিয়ম মেনে ব্যানার ও ফেস্টুন টাঙাতে গেলে বাধার মুখে পড়ছেন, এমনকি সেগুলো ছিঁড়ে ফেলা হচ্ছে—যা স্পষ্টভাবে আচরণবিধি লঙ্ঘনের উদাহরণ।


তিনি বলেন, শুধু প্রতিশ্রুতি দিলেই হবে না, প্রতিটি প্রতিশ্রুতির সঙ্গে বাস্তবায়নের সুস্পষ্ট রূপরেখা থাকতে হবে।


চাও তো আমি এটাকে আরও সংক্ষিপ্ত, অনলাইন নিউজ পোর্টাল স্টাইল, বা টিভি স্ক্রিপ্ট ফরম্যাটেও করে দিতে পারি 😊


You said:

বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান জানিয়েছেন, তারা ক্ষমতায় গেলে  শিশুদের সঠিক শিক্ষা প্রদানের জন্য প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের অনেক বেশি যোগ্য ও দক্ষ করতে কাজ করবে।


শনিবার (২৪ জানুয়ারি) দুপুর ২টা থেকে গুলশানে বিচারপতি শাহাবুদ্দিন পার্কে ‘মিট অ্যান্ড গ্রিট উইথ তারেক রহমান’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে এ কথা বলেন তিনি। অনুষ্ঠানে অংশ নেন তার কন্যা ব্যারিস্টার জাইমা রহমান।


এ সময় তারেক রহমান বিজয়ী প্রশ্নের উত্তর দেন।


এ প্রশ্নের জবাবে তারেক রহমান বলেন, ‘আমাদের শিক্ষা নিয়ে যে রিলস বানিয়েছেন। ওইখানে আপনারা বলেছেন প্রাইমারি শিক্ষা নিয়ে আমরা কী কাজ করেছি। সামাজিক মূল্যবোধ নিয়ে কিন্তু স্কুলে শেখাতে হবে। এ জন্য আমরা প্রাইমারি শিক্ষার ওপর জোর দিতে চাচ্ছি।

তিনি আরো বলেন, ‘আমরা প্রাইমারি শিক্ষকদের মোর কোয়ালিফাই করতে চাচ্ছি, তাদের ট্রেনিং দিতে চাচ্ছি। যে ট্রেনিংটার মধ্যে একাডেমিক ট্রেনিং থাকবে, একই সাথে সামাজিক এবং ধর্মীয় যে মূল্যবোধ আছে এই বিষয়গুলোও বাচ্চাদের শেখাতে হবে।’


সাইবার বুলিং নিয়ে এক প্রশ্নের জবাবে তারেক রহমান বলেন, ‘আমরা যদি বাচ্চাদের ছোটবেলা থেকে শেখায়, এইটা সঠিক, এইটা ভুল; এইটা সাদা, এইটা কালো; এইভাবে যদি আমরা বাচ্চাদের শেখাতে পারি আমার ধারণা একটা পর্যায়ে গিয়ে তাদের মাথায় ঢুকে যাবে কোনটা ন্যায় কোনটা অন্যায়।’

ChatGPT said:

ঠিক আছে 👍 নিচে নতুন শিরোনাম ও রিরাইট করা সংবাদ দিলাম—সংবাদভিত্তিক, পরিমার্জিত ভাষায়।


শিরোনাম:

ক্ষমতায় গেলে প্রাথমিক শিক্ষকদের আরও দক্ষ ও যোগ্য করে গড়ে তোলার অঙ্গীকার তারেক রহমানের


সংবাদ:

বিএনপির চেয়ারম্যান তারেক রহমান জানিয়েছেন, দল ক্ষমতায় এলে শিশুদের সঠিক ও মানসম্মত শিক্ষা নিশ্চিত করতে প্রাথমিক বিদ্যালয়ের শিক্ষকদের আরও যোগ্য ও দক্ষ করে গড়ে তুলতে কাজ করা হবে।


শনিবার (২৪ জানুয়ারি) দুপুর ২টা থেকে রাজধানীর গুলশানে বিচারপতি শাহাবুদ্দিন পার্কে আয়োজিত ‘মিট অ্যান্ড গ্রিট উইথ তারেক রহমান’ শীর্ষক অনুষ্ঠানে তিনি এসব কথা বলেন। অনুষ্ঠানে তার কন্যা ব্যারিস্টার জাইমা রহমান উপস্থিত ছিলেন।


অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারীদের বিভিন্ন প্রশ্নের উত্তর দেন তারেক রহমান। শিক্ষা বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে তিনি বলেন, প্রাথমিক পর্যায়ে সামাজিক মূল্যবোধ শিক্ষা দেওয়া অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এ কারণেই বিএনপি প্রাথমিক শিক্ষার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দিতে চায়।


তিনি বলেন, প্রাথমিক শিক্ষকদের আরও যোগ্য করে তুলতে প্রশিক্ষণের ব্যবস্থা করা হবে। এসব প্রশিক্ষণে একাডেমিক শিক্ষার পাশাপাশি সামাজিক ও ধর্মীয় মূল্যবোধ সম্পর্কিত বিষয় অন্তর্ভুক্ত থাকবে, যাতে শিশুরা ছোটবেলা থেকেই নৈতিক শিক্ষা লাভ করতে পারে।


সাইবার বুলিং বিষয়ে এক প্রশ্নের জবাবে তারেক রহমান বলেন, শিশুদের যদি ছোট বয়স থেকেই ভালো-মন্দ, ন্যায়-অন্যায় সম্পর্কে স্পষ্ট ধারণা দেওয়া যায়, তাহলে এক পর্যায়ে তারা নিজেরাই বুঝতে শিখবে কোনটি সঠিক আর কোনটি ভুল।


চাও তো আমি এটাকে আরও সংক্ষিপ্ত নিউজ, অনলাইন পোর্টাল ভার্সন, বা টিভি নিউজ স্ক্রিপ্ট হিসেবেও করে দিতে পারি 🙂


You said:

শিক্ষা উপদেষ্টা ও বাংলাদেশ জাতীয় ইউনেস্কো কমিশনের (বিএনসিইউ) চেয়ারপারসন অধ্যাপক ড. চৌধুরী রফিকুল আবরার বলেছেন, তরুণদের চিন্তা-ভাবনা, সৃজনশীলতা ও সক্রিয় অংশগ্রহণের মাধ্যমে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোকে গণতান্ত্রিক ও অন্তর্ভুক্তিমূলক চর্চার কেন্দ্রে পরিণত করতে হবে। এক্ষেত্রে তরুণদের অংশগ্রহণ যেন শুধু প্রতীকী না হয়ে বাস্তব ও কার্যকর হয়। তাদের সক্রিয় অংশগ্রহণ, মতামত ও সম্পৃক্ততা ছাড়া টেকসই পরিবর্তন সম্ভব নয়।


তিনি বলেন, প্রান্তিক ও সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্তি নিশ্চিত করতে হলে তাদের সঙ্গে সরাসরি ও ধারাবাহিক সংলাপ অপরিহার্য।



সংবেদনশীল প্রশাসন, অংশগ্রহণমূলক সিদ্ধান্ত গ্রহণ এবং বাস্তব অভিজ্ঞতার আলোকে নীতিনির্ধারণের মাধ্যমেই বৈষম্য কমানো সম্ভব।

শনিবার (২৪ জানুয়ারি) আন্তর্জাতিক শিক্ষা দিবস-২০২৬ উপলক্ষে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটের মিলনায়তনে আয়োজিত আলোচনাসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।


ড. আবরার বলেন, শিক্ষা শুধু পাঠ্যপুস্তকনির্ভর জ্ঞান অর্জনের মধ্যে সীমাবদ্ধ নয়। এটি নাগরিকত্ব, মূল্যবোধ ও সামাজিক দায়বদ্ধতা গঠনের একটি গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্র।



তরুণদের চিন্তা-ভাবনা, সৃজনশীলতা ও সক্রিয় অংশগ্রহণের মাধ্যমে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোকে গণতান্ত্রিক ও অন্তর্ভুক্তিমূলক চর্চার কেন্দ্রে পরিণত করতে হবে। এক্ষেত্রে তরুণদের অংশগ্রহণ যেন শুধু প্রতীকী না হয়ে বাস্তব ও কার্যকর হয়। তাদের সক্রিয় অংশগ্রহণ, মতামত ও সম্পৃক্ততা ছাড়া টেকসই পরিবর্তন সম্ভব নয়। আমরা টোকেনিজম (লোক দেখানো অন্তর্ভুক্তি) চাই না, চাই অ্যাকটিভ পার্টিসিপেশন (সক্রিয় অংশগ্রহণ) ও এনগেজমেন্ট।

তিনি বলেন, রাষ্ট্র জনগণের কল্যাণের অর্থে পরিচালিত হয় এবং সেই জনগণের বড় অংশ তরুণ সমাজ। নতুন বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে তরুণদের চিন্তাভাবনা, আকাঙ্ক্ষা ও অবদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। একটি সময় ছিল যখন তার প্রজন্ম নাগরিক অধিকার হারানোর শঙ্কায় ছিল, কিন্তু তরুণ সমাজই পরিবর্তনের পথ দেখিয়েছে।


তিনি আরো বলেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান শুধু পাঠ্যশিক্ষার জায়গা নয়। শিক্ষার্থীদের ভেতরে থাকা সুপ্ত প্রতিভা, আগ্রহ ও মেধার বিকাশের সুযোগ তৈরি করতে হবে।

ChatGPT said:

নিশ্চিত 👍 নিচে সংবাদধর্মী শিরোনাম ও রিরাইট করা প্রতিবেদন দেওয়া হলো—ভাষা সংক্ষিপ্ত, পরিমার্জিত ও পুনরুক্তি বাদ দিয়ে সাজানো হয়েছে।


শিরোনাম:

টেকসই পরিবর্তনে তরুণদের প্রতীকী নয়, বাস্তব অংশগ্রহণ জরুরি: শিক্ষা উপদেষ্টা ড. রফিকুল আবরার


সংবাদ:

শিক্ষা উপদেষ্টা ও বাংলাদেশ জাতীয় ইউনেস্কো কমিশনের (বিএনসিইউ) চেয়ারপারসন অধ্যাপক ড. চৌধুরী রফিকুল আবরার বলেছেন, তরুণদের চিন্তা-ভাবনা, সৃজনশীলতা ও সক্রিয় অংশগ্রহণের মাধ্যমে শিক্ষা প্রতিষ্ঠানগুলোকে গণতান্ত্রিক ও অন্তর্ভুক্তিমূলক চর্চার কেন্দ্রে পরিণত করতে হবে। এ ক্ষেত্রে তরুণদের অংশগ্রহণ যেন কেবল প্রতীকী না হয়ে বাস্তব ও কার্যকর হয়—এমনটাই প্রত্যাশা করেন তিনি।


শনিবার (২৪ জানুয়ারি) আন্তর্জাতিক শিক্ষা দিবস-২০২৬ উপলক্ষে আন্তর্জাতিক মাতৃভাষা ইনস্টিটিউটের মিলনায়তনে আয়োজিত এক আলোচনাসভায় প্রধান অতিথির বক্তব্যে তিনি এসব কথা বলেন।


ড. রফিকুল আবরার বলেন, প্রান্তিক ও সুবিধাবঞ্চিত জনগোষ্ঠীর অন্তর্ভুক্তি নিশ্চিত করতে হলে তাদের সঙ্গে সরাসরি ও ধারাবাহিক সংলাপ অপরিহার্য। সংবেদনশীল প্রশাসন, অংশগ্রহণমূলক সিদ্ধান্ত গ্রহণ এবং বাস্তব অভিজ্ঞতার আলোকে নীতিনির্ধারণের মাধ্যমেই বৈষম্য হ্রাস সম্ভব।


তিনি বলেন, শিক্ষা কেবল পাঠ্যপুস্তকনির্ভর জ্ঞান অর্জনের বিষয় নয়; এটি নাগরিকত্ব, মূল্যবোধ ও সামাজিক দায়বদ্ধতা গঠনের একটি গুরুত্বপূর্ণ ক্ষেত্র। তাই লোক দেখানো অন্তর্ভুক্তির পরিবর্তে সক্রিয় অংশগ্রহণ ও সম্পৃক্ততার ওপর জোর দিতে হবে।


রাষ্ট্র জনগণের কল্যাণে পরিচালিত হয় উল্লেখ করে তিনি বলেন, জনগণের বড় অংশই তরুণ সমাজ। নতুন বাংলাদেশের প্রেক্ষাপটে তরুণদের চিন্তাভাবনা, আকাঙ্ক্ষা ও অবদান অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। এক সময় নাগরিক অধিকার হারানোর শঙ্কা থাকলেও তরুণ সমাজই পরিবর্তনের পথ দেখিয়েছে।


ড. আবরার আরও বলেন, শিক্ষাপ্রতিষ্ঠান শুধু পাঠ্যশিক্ষার জায়গা নয়; শিক্ষার্থীদের ভেতরে থাকা সুপ্ত প্রতিভা, আগ্রহ ও মেধার বিকাশের সুযোগ তৈরি করাও এসব প্রতিষ্ঠানের দায়িত্ব।


চাও তো আমি এটাকে আরও সংক্ষিপ্ত অনলাইন নিউজ, প্রেস রিলিজ স্টাইল, বা হেডলাইন ভ্যারিয়েশনও করে দিতে পারি 😊


You said:

সামনে জাতীয় নির্বাচন। সবাই ভোটকেন্দ্রে যাবেন। ব্রাহ্মণবাড়িয়ার মুক্তিযোদ্ধারা গণভোটে ‘হ্যাঁ’-এর পক্ষে থাকবেন। আমরা ‘হ্যাঁ’ ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করব।



‘হ্যাঁ’ ভোট আমার-আপনার সন্তানের নিরাপত্তা।’ 

আজ শনিবার (২৪ জানুয়ারি) পৌর এলাকার আলাউদ্দিন সঙ্গীতাঙ্গনে আয়োজিত মুক্তিযোদ্ধাদের পরামর্শসভায় এসব কথা বলেন বক্তারা। জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে মুক্তিযোদ্ধা সংসদের করণীয় বিষয়ে পরামর্শ সভায় এ নিয়ে আলোচনা করেন তাঁরা। 


ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা মুক্তিযোদ্ধা ইউনিট কমান্ডের আহ্বায়ক হাজী এমরানুর রেজার সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথি ছিলেন বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদের কেন্দ্রীয় কমান্ডের সদস্যসচিব সাদেক আহমেদ খাঁন।



সাংবাদিক আল আমিন শাহীনের সঞ্চালনায় সভায় বিশেষ অতিথির বক্তব্য দেন বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদের কেন্দ্রীয় কমান্ড কাউন্সিলের সদস্য মো. নুরুল ইসলাম, মানিকগঞ্জ জেলা মুক্তিযোদ্ধা ইউনিট কমান্ড মো. আব্দুল মান্নান, ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা ইউনিট কমান্ডার ফসিউর রহমান হাসান প্রমুখ।

সাদেক আহমেদ খান বলেন, ‘জিয়াউর রহমানের ঘোষণাই মুক্তিযুদ্ধে উজ্জীবিত করেছে। মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানীকেও তাঁরা সম্মান দেননি। তিনি বলেন, শেখ মুজিবকে অসম্মান করলে আমাদেরও কষ্ট লাগে।


কিন্তু তাঁর কন্যা মুক্তিযুদ্ধটা আওয়ামী লীগের বানিয়ে ফেলেছে।’’

সাদেক খান আরো বলেন, ‘সামনে জাতীয় নির্বাচন সবাই ভোট কেন্দ্রে যাবেন। আমরা ‘হ্যাঁ’ ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করব। ‘হ্যাঁ’ ভোট আমার আপনার সন্তানের নিরাপত্তা। আমরা মেরুদণ্ড সোজা করে দাঁড়াতে চাই।

ChatGPT said:

ঠিক আছে 👍 নিচে সংবাদধর্মী শিরোনাম ও পরিমার্জিত রিরাইট করা প্রতিবেদন দেওয়া হলো—ভাষা পরিষ্কার, ধারাবাহিক ও নিউজ স্ট্যান্ডার্ড অনুযায়ী।


শিরোনাম:

গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোটের পক্ষে অবস্থান ব্রাহ্মণবাড়িয়ার মুক্তিযোদ্ধাদের


সংবাদ:

আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে মুক্তিযোদ্ধাদের ‘হ্যাঁ’ ভোট দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়েছে ব্রাহ্মণবাড়িয়ায়। বক্তারা বলেন, গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট ভবিষ্যৎ প্রজন্মের নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে এবং সবাইকে ভোটকেন্দ্রে গিয়ে দায়িত্বশীলভাবে ভোটাধিকার প্রয়োগ করতে হবে।


শনিবার (২৪ জানুয়ারি) পৌর এলাকার আলাউদ্দিন সঙ্গীতাঙ্গনে আয়োজিত মুক্তিযোদ্ধাদের পরামর্শসভায় এসব কথা বলেন বক্তারা। জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটে মুক্তিযোদ্ধা সংসদের করণীয় বিষয়ে এ সভার আয়োজন করা হয়।


ব্রাহ্মণবাড়িয়া জেলা মুক্তিযোদ্ধা ইউনিট কমান্ডের আহ্বায়ক হাজী এমরানুর রেজার সভাপতিত্বে সভায় প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদের কেন্দ্রীয় কমান্ডের সদস্যসচিব সাদেক আহমেদ খান।


সাংবাদিক আল আমিন শাহীনের সঞ্চালনায় সভায় বিশেষ অতিথি হিসেবে বক্তব্য দেন বাংলাদেশ মুক্তিযোদ্ধা সংসদের কেন্দ্রীয় কমান্ড কাউন্সিলের সদস্য মো. নুরুল ইসলাম, মানিকগঞ্জ জেলা মুক্তিযোদ্ধা ইউনিট কমান্ডার মো. আব্দুল মান্নান এবং ব্রাহ্মণবাড়িয়া সদর উপজেলা মুক্তিযোদ্ধা ইউনিট কমান্ডার ফসিউর রহমান হাসানসহ অন্যরা।


প্রধান অতিথির বক্তব্যে সাদেক আহমেদ খান বলেন, শহীদ রাষ্ট্রপতি জিয়াউর রহমানের ঘোষণাই মুক্তিযুদ্ধে মানুষকে উজ্জীবিত করেছে। তিনি বলেন, মাওলানা আব্দুল হামিদ খান ভাসানীকেও যথাযথ সম্মান দেওয়া হয়নি। শেখ মুজিবুর রহমানকে অসম্মান করা হলে তাদেরও কষ্ট লাগে, তবে মুক্তিযুদ্ধকে একটি দলের সম্পত্তিতে পরিণত করা ঠিক হয়নি।


তিনি আরও বলেন, সামনে জাতীয় নির্বাচন—সবাইকে ভোটকেন্দ্রে যেতে হবে। গণভোটে ‘হ্যাঁ’ ভোট দিয়ে জয়যুক্ত করতে হবে। ‘হ্যাঁ’ ভোট আমার-আপনার সন্তানের নিরাপত্তা নিশ্চিত করবে। আমরা মেরুদণ্ড সোজা করে দাঁড়িয়ে একটি নিরাপদ ও শক্তিশালী ভবিষ্যৎ গড়তে চাই।