বাংলাদেশ–যুক্তরাষ্ট্র বাণিজ্যচুক্তি নিয়ে নতুন বিতর্ক, আর্থ ট্রিটি নিয়ে সমালোচনা তুঙ্গে
ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনের তিন দিন আগে স্বাক্ষরিত বাংলাদেশ ও যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্যচুক্তি ‘অ্যাগ্রিমেন্ট অন রিসিপ্রোক্যাল ট্রেড (এআরটি)’ নিয়ে নতুন করে আলোচনা ও সমালোচনা শুরু হয়েছে।
৩২ পৃষ্ঠার এই চুক্তিতে বাংলাদেশের ওপর তুলনামূলকভাবে বেশি বাধ্যবাধকতা আরোপ করা হয়েছে বলে দাবি করছেন সংশ্লিষ্টরা। তাদের মতে, যুক্তরাষ্ট্রের দায়িত্ব সীমিত হলেও বাংলাদেশকে অনেক ক্ষেত্রে বাধ্যতামূলকভাবে নীতি মেনে চলতে হবে, যা একতরফা এবং ভারসাম্যহীন বাণিজ্য কাঠামোর ইঙ্গিত দেয়।
চুক্তি বিশ্লেষণে দেখা যায়, আইনি ভাষায় ব্যবহৃত ‘শ্যাল’ শব্দটি ১৭৯ বার ব্যবহৃত হয়েছে, যেখানে ‘উইল’ মাত্র ৩ বার। এর মধ্যে ‘বাংলাদেশ শ্যাল’ এসেছে ১৩১ বার এবং ‘ইউএস শ্যাল’ মাত্র ৬ বার, যা নিয়ে সমালোচনা তৈরি হয়েছে।
চুক্তির প্রথম অংশে শুল্ক ও কোটা সংক্রান্ত বিষয় রয়েছে, যেখানে বাংলাদেশকে যুক্তরাষ্ট্রের পণ্যের ওপর নির্ধারিত শুল্ক আরোপ ও নির্দিষ্ট শর্ত মেনে চলার কথা বলা হয়েছে। পাশাপাশি মার্কিন পণ্যের আমদানিতে অতিরিক্ত বাধা না দেওয়ার বিষয়টিও উল্লেখ রয়েছে।