ভোলায় কলেজছাত্র নিহত, ছুরি নিয়ে থানায় আত্মসমর্পণ স্কুলছাত্রের
রাজধানীর গুলশান, বনানী, বারিধারা ও নিকেতন এলাকায় নিরাপদ ও পরিবেশসম্মত পয়োবর্জ্য ব্যবস্থাপনা নিশ্চিত করতে সমন্বিত কর্মপরিকল্পনা হাতে নিয়েছে ঢাকা উত্তর সিটি করপোরেশন (ডিএনসিসি)। এ লক্ষ্যে সংশ্লিষ্ট সোসাইটি, ঢাকা ওয়াসা ও ডিএনসিসির প্রতিনিধিদের নিয়ে একটি সমন্বয় সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
বৃহস্পতিবার (২ জুলাই) ডিএনসিসি প্রশাসক মো. শফিকুল ইসলাম খানের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত সভায় বারিধারা, গুলশান, বনানী ও নিকেতন সোসাইটির প্রতিনিধি এবং ঢাকা ওয়াসা ও ডিএনসিসির ঊর্ধ্বতন কর্মকর্তারা অংশ নেন।
সভায় জানানো হয়, রাজধানীর অনেক এলাকায় এখনো সেপটিক ট্যাংকের ওপর নির্ভরশীল পয়োবর্জ্য ব্যবস্থাপনা চালু রয়েছে। তবে বিভিন্ন স্থানে অবৈধভাবে পয়োবর্জ্য লেক, খাল ও অন্যান্য জলাশয়ে ফেলা হচ্ছে, যা পরিবেশ দূষণ, জনস্বাস্থ্য ঝুঁকি, মশার বংশবিস্তার এবং জলাবদ্ধতার মতো সমস্যা সৃষ্টি করছে।
এ পরিস্থিতি মোকাবিলায় গুলশান, বনানী ও বারিধারা লেকসহ সব জলাশয়ে পয়োবর্জ্যের অবৈধ নিষ্কাশন বন্ধে কার্যকর ব্যবস্থা গ্রহণ, সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোর মধ্যে সমন্বয় জোরদার এবং জনসচেতনতা বৃদ্ধির ওপর গুরুত্বারোপ করা হয়। সভায় উপস্থিত সোসাইটিগুলোর প্রতিনিধিরাও এ উদ্যোগে সহযোগিতার আশ্বাস দেন।
সভায় আরও জানানো হয়, নিরাপদ পয়োবর্জ্য ব্যবস্থাপনা বাস্তবায়নের লক্ষ্যে ২০২৩ সালের ১০ অক্টোবর ডিএনসিসি ও ঢাকা ওয়াসার মধ্যে একটি সমঝোতা স্মারক (এমওইউ) স্বাক্ষরিত হয়। সেই চুক্তির আওতায় ডিএনসিসি এলাকায় পর্যায়ক্রমে পরিকল্পিত ‘সিডিউল ডিস্লাজিং’ কার্যক্রম বাস্তবায়নের উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
এ কর্মসূচির অংশ হিসেবে প্রাথমিকভাবে নির্বাচিত পাঁচটি বেসরকারি প্রতিষ্ঠানের সক্ষমতা যাচাইয়ে আগামী দুই মাস পরীক্ষামূলক (ড্রাই-রান) কার্যক্রম পরিচালনা করা হবে। এই মূল্যায়ন সফল হলে পর্যায়ক্রমে ডিএনসিসির আওতাধীন এলাকায় পূর্ণাঙ্গ সিডিউল ডিস্লাজিং কার্যক্রম চালু করা হবে।
সংশ্লিষ্টদের আশা, উদ্যোগটি বাস্তবায়িত হলে রাজধানীর এসব এলাকায় পয়োবর্জ্য ব্যবস্থাপনা আরও আধুনিক ও পরিবেশবান্ধব হবে। পাশাপাশি জলাশয় দূষণ কমবে, মশার প্রজনন নিয়ন্ত্রণে আসবে এবং জনস্বাস্থ্য সুরক্ষায় ইতিবাচক প্রভাব পড়বে।