রবিবার , ২৬ জুলাই ২০২৬
রবিবার , ২৬ জুলাই ২০২৬
হোমরাজনীতিনতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন: সাংবিধানিক প্রক্রিয়াতেই এগোবে বিএনপি

নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন: সাংবিধানিক প্রক্রিয়াতেই এগোবে বিএনপি

favicon
ভোরের আলো ডেস্ক:
নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচন: সাংবিধানিক প্রক্রিয়াতেই এগোবে বিএনপি

রাষ্ট্রপতি মো. সাহাবুদ্দিনের পদত্যাগের পর দেশের ২৩তম রাষ্ট্রপতি কে হচ্ছেন— এ প্রশ্নে রাজনৈতিক অঙ্গনে নানা আলোচনা শুরু হয়েছে। তবে বিএনপি রাষ্ট্রপতি নির্বাচন নিয়ে কোনো তাড়াহুড়া না করে সংবিধান অনুযায়ী নির্ধারিত প্রক্রিয়াতেই এগোবে বলে দলীয় সূত্রে জানা গেছে।


বিএনপির একাধিক জ্যেষ্ঠ নেতার দাবি, রাষ্ট্রপতি নির্বাচন নিয়ে দলীয় হাইকমান্ড এখনই প্রকাশ্যে কোনো মন্তব্য করতে চাইছে না। এ বিষয়ে দলের সিনিয়র নেতাদেরও সতর্ক থাকতে নির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। দলীয় ফোরামে আলোচনা শেষে সাংগঠনিক প্রক্রিয়ার মাধ্যমে চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে।


দলীয় সূত্রের তথ্য অনুযায়ী, সম্ভাব্য রাষ্ট্রপতি হিসেবে বিএনপির মহাসচিব ও স্থানীয় সরকারমন্ত্রী মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের নাম সবচেয়ে বেশি আলোচনায় রয়েছে। দীর্ঘ রাজনৈতিক অভিজ্ঞতা, দলের দুঃসময়ে নেতৃত্ব এবং দলীয় প্রধানদের আস্থাভাজন হওয়ায় তাকে সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে বিবেচনা করা হচ্ছে বলে জানা গেছে।


তবে বিএনপির নেতারা বলছেন, এ বিষয়ে এখনো কোনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি। দলীয় হাইকমান্ড আলোচনার মাধ্যমে রাষ্ট্রপতি পদে প্রার্থী নির্ধারণ করবে।


এ ছাড়া বিএনপির স্থায়ী কমিটির সদস্য ড. খন্দকার মোশাররফ হোসেন, ড. আব্দুল মঈন খান এবং নজরুল ইসলাম খানের নামও সম্ভাব্য প্রার্থী হিসেবে আলোচনায় রয়েছে।


দলটির এক ভাইস চেয়ারম্যান জানান, সংবিধান অনুযায়ী রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হওয়ার ৯০ দিনের মধ্যে নির্বাচন সম্পন্ন করতে হবে। সে কারণে পর্যাপ্ত সময় রয়েছে এবং তাড়াহুড়ার প্রয়োজন নেই। তবে আগামী দুই মাসের মধ্যেই নির্বাচন প্রক্রিয়া সম্পন্ন হতে পারে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।


রাজনৈতিক বিশ্লেষকদের মতে, যেহেতু রাষ্ট্রপতি নির্বাচন জাতীয় সংসদ সদস্যদের ভোটে অনুষ্ঠিত হয় এবং সংসদে বিএনপি সংখ্যাগরিষ্ঠ দল, তাই দলটির মনোনীত প্রার্থীর নির্বাচিত হওয়ার সম্ভাবনাই বেশি।


উল্লেখ্য, স্বাস্থ্যগত কারণ দেখিয়ে শুক্রবার (২৪ জুলাই) রাষ্ট্রপতির পদ থেকে পদত্যাগ করেন মো. সাহাবুদ্দিন। তার পদত্যাগপত্র গ্রহণের পর সংবিধানের ৫৪ অনুচ্ছেদ অনুযায়ী জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতির দায়িত্ব গ্রহণ করেন।


সাংবিধানিক বিধান অনুযায়ী, রাষ্ট্রপতির পদ শূন্য হলে স্পিকার সাময়িকভাবে দায়িত্ব পালন করেন এবং ৯০ দিনের মধ্যে নতুন রাষ্ট্রপতি নির্বাচনের বাধ্যবাধকতা রয়েছে। নির্বাচিত রাষ্ট্রপতি দায়িত্ব গ্রহণ না করা পর্যন্ত ভারপ্রাপ্ত রাষ্ট্রপতি হিসেবে দায়িত্ব পালন করবেন স্পিকার।