সোমবার , ২৭ জুলাই ২০২৬
সোমবার , ২৭ জুলাই ২০২৬
হোমবিশ্বমহারাষ্ট্র টিইটি প্রশ্নফাঁসের মূলহোতা বিজেন্দ্র গুপ্ত গ্রেফতার

মহারাষ্ট্র টিইটি প্রশ্নফাঁসের মূলহোতা বিজেন্দ্র গুপ্ত গ্রেফতার

favicon
ভোরের আলো ডেস্ক:
মহারাষ্ট্র টিইটি প্রশ্নফাঁসের মূলহোতা বিজেন্দ্র গুপ্ত গ্রেফতার

ভারতের মহারাষ্ট্র শিক্ষক নিয়োগ পরীক্ষা (টিইটি) প্রশ্নফাঁস মামলার মূল অভিযুক্ত বিজেন্দ্র কুমার গুপ্তকে বিহার থেকে গ্রেফতার করেছে পুলিশ। গ্রেফতারের পর তাকে পুনে বিমানবন্দরে আনা হয়েছে। সেখান থেকে পরবর্তী আইনি প্রক্রিয়ার জন্য ভিওয়ান্ডিতে নেওয়া হবে বলে জানিয়েছে আইনশৃঙ্খলা বাহিনী।


হিন্দুস্থান টাইমসের প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, গত ৫ জুলাই মহারাষ্ট্র টিইটি-২০২৬ প্রশ্নফাঁসের তদন্তে গঠিত বিশেষ তদন্ত দল (এসআইটি) উত্তর প্রদেশের আগ্রাভিত্তিক একটি ছাপাখানার তিন কর্মীকে গ্রেফতার করে। অভিযোগ, প্রশ্নপত্র ছাপানোর সময়ই তারা গোপনে সেটি ফাঁস করেছিলেন। ওই তিনজনকে গ্রেফতারের পর মামলায় গ্রেফতার হওয়া ব্যক্তির সংখ্যা দাঁড়িয়েছিল ১০ জনে। সে সময় পলাতক ছিলেন বিজেন্দ্র গুপ্ত।


গ্রেফতার হওয়া তিনজন হলেন নরেশকুমার পুরানচাঁদ মাহোর (৩৫), সঞ্জয়কুমার সুরেশচন্দ্র চন্দ্র (৪৪) এবং বাবুলাল নারায়ণসিং কুশওয়াহা (৪৫)। তাদের দিল্লি থেকে ভিওয়ান্ডি আদালতে হাজির করা হলে আদালত ৯ জুলাই পর্যন্ত পুলিশ হেফাজতের নির্দেশ দেন।


তদন্তে এসআইটির দাবি, ছাপাখানার কর্মী নরেশকুমার মাহোর ছাপার সময় গোপনে প্রশ্নপত্র সংগ্রহ করে তা ছাপাখানার সাবেক কর্মী সঞ্জয় কুমার শর্মা এবং আরেক পলাতক অভিযুক্ত সোনু কুমারের কাছে পৌঁছে দেন। পরে তারা সেই প্রশ্নপত্র বিজেন্দ্র গুপ্তের হাতে তুলে দেন।


তদন্তকারীদের মতে, পুরো প্রশ্নফাঁস চক্রের মূল পরিকল্পনাকারী বা মাস্টারমাইন্ড ছিলেন বিজেন্দ্র গুপ্ত। পুলিশ জানায়, সঞ্জয় কুমার শর্মা দুই বছর আগে পর্যন্ত ওই ছাপাখানার প্যাকেজিং বিভাগের প্রধান ছিলেন এবং সোনু কুমারও একই বিভাগে কর্মরত ছিলেন। ছাপাখানার অভ্যন্তরীণ কার্যক্রম সম্পর্কে ভালো ধারণা থাকায় তারা গোপন প্রশ্নপত্রে প্রবেশের সুযোগ পেয়েছিলেন বলে ধারণা করা হচ্ছে।


সরকারি কৌঁসুলি সুমিত যাদব আদালতে জানান, অভিযুক্তদের সঙ্গে বিজেন্দ্র গুপ্তের সম্পর্ক, প্রশ্নফাঁসের বিনিময়ে অর্থ লেনদেন এবং ষড়যন্ত্রে প্রত্যেকের ভূমিকা জানতে তাদের রিমান্ড চাওয়া হয়েছিল। আদালত সেই আবেদন মঞ্জুর করেন।


এদিকে তদন্তে নতুন একটি বিষয় সামনে এসেছে। গ্রেফতার হওয়া এক অভিযুক্তের কাছ থেকে তিনটি জীবন্ত গুলি (লাইভ কার্টিজ) উদ্ধার করেছে পুলিশ।


ভিওয়ান্ডির সহকারী পুলিশ কমিশনার (এসিপি) বিজয় মারাঠে বলেন, ওই গুলিগুলো কোথা থেকে সংগ্রহ করা হয়েছিল এবং কী উদ্দেশ্যে অভিযুক্ত নিজের কাছে রেখেছিলেন, তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে। প্রশ্নফাঁস মামলার পাশাপাশি এ বিষয়টিও গুরুত্ব দিয়ে তদন্ত করছে পুলিশ।