রবিবার , ০৯ আগস্ট ২০২৬
রবিবার , ০৯ আগস্ট ২০২৬
হোমরাজনীতি‘আওয়ামী লীগকে সরিয়ে যদি একই কাজ করেন, তাহলে তাদের দোষ কী ছিল?’: রুমিন

‘আওয়ামী লীগকে সরিয়ে যদি একই কাজ করেন, তাহলে তাদের দোষ কী ছিল?’: রুমিন

favicon
ভোরের আলো ডেস্ক:
‘আওয়ামী লীগকে সরিয়ে যদি একই কাজ করেন, তাহলে তাদের দোষ কী ছিল?’: রুমিন

বিএনপির সংসদ সদস্য ব্যারিস্টার রুমিন ফারহানা বলেছেন, আওয়ামী লীগকে সরানো হয়েছিল তাদের অন্যায় ও রাজনৈতিক কর্মকাণ্ডের কারণে। এখন একই ধরনের আচরণ করা হলে আওয়ামী লীগের দোষ কোথায় ছিল—এ প্রশ্নই সামনে আসে।


সাংবাদিক ও উপস্থাপক খালেদ মুহিউদ্দীনের ‘ঠিকানা’ টকশোতে অংশ নিয়ে তিনি এসব কথা বলেন।


অনুষ্ঠানে রুমিন ফারহানার বিরুদ্ধে আওয়ামী লীগের ‘ন্যারেটিভ’ টিকিয়ে রাখার অভিযোগ প্রসঙ্গে প্রশ্ন করা হলে তিনি বলেন, অভিযোগগুলো সত্য ধরে নিলে তিনি যেন একটি ‘লাইফ সেভিং মেশিন’। বিএনপি রাজনৈতিকভাবে চাপে পড়লে যেমন বিএনপির পক্ষে কথা বলেন, তেমনি আওয়ামী লীগ সংকটে পড়লেও অন্যায়ের বিরুদ্ধে কথা বলেন।


তিনি বলেন, তিনি আওয়ামী লীগ করেন না এবং কখনোই আওয়ামী লীগের রাজনীতির সঙ্গে যুক্ত ছিলেন না। তবে প্রতিপক্ষ দুর্বল হয়ে পড়ার পর তাকে আঘাত করা কাপুরুষোচিত আচরণ। বরং প্রতিপক্ষ শক্তিশালী থাকা অবস্থায় রাজনৈতিকভাবে মোকাবিলা করাই সাহসিকতার পরিচয় বলে মন্তব্য করেন তিনি।


রুমিন বলেন, আওয়ামী লীগ যখন সবচেয়ে শক্তিশালী অবস্থানে ছিল, তখন তাদের কর্মকাণ্ড নিয়ে কথা বলা এবং বর্তমানে আওয়ামী লীগের বিরুদ্ধে অন্যায় হলে তার প্রতিবাদ করা—দুটি বিষয়কে এক করে দেখা উচিত নয়।


### ‘অন্যায়ের জবাব অন্যায় দিয়ে নয়’


অন্যায়কে অন্যায় দিয়ে মোকাবিলা করার বিষয়ে প্রশ্ন করা হলে রুমিন ফারহানা বলেন, ঘৃণার জবাবে ঘৃণা শুরু হলে সমাজে শুধু ঘৃণার চর্চাই বাড়তে থাকে। তিনি সেই পথে যেতে চান না।


তিনি বলেন, আওয়ামী লীগকে সরানো হয়েছিল কারণ দলটি খারাপ কাজ করেছিল। এখন তাদের বিরুদ্ধে একই ধরনের আচরণ করা হলে প্রশ্ন উঠবে—তাহলে আওয়ামী লীগের দোষ কী ছিল।


রুমিন আরও বলেন, অতীতে আওয়ামী লীগের আমলে যেসব মামলা, হয়রানি ও রাজনৈতিক নিপীড়নের অভিযোগ ছিল, সেগুলোর প্রতিবাদ যদি ন্যায়ের পক্ষে করা হয়ে থাকে, তাহলে বর্তমানে একই ধরনের ঘটনা ঘটলে তারও প্রতিবাদ করতে হবে।


তার ভাষ্য, ব্যক্তি দেখে প্রতিবাদের অবস্থান পরিবর্তন করলে সেটি ন্যায়ের পক্ষে অবস্থান থাকে না। তিনি ব্যক্তি নয়, ন্যায়ের পক্ষে কথা বলতে চান।