সোমবার , ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সোমবার , ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
হোমবিশ্বসৌদির সামরিক প্রয়োজন মেটাতে সহায়তার ইঙ্গিত তুরস্কের

সৌদির সামরিক প্রয়োজন মেটাতে সহায়তার ইঙ্গিত তুরস্কের

favicon
ভোরের আলো ডেস্ক:
সৌদির সামরিক প্রয়োজন মেটাতে সহায়তার ইঙ্গিত তুরস্কের

ইয়েমেনের হুতিদের ধারাবাহিক হামলার মধ্যে সৌদি আরবের সম্ভাব্য সামরিক প্রয়োজন মেটাতে সহায়তার কথা জানিয়েছে তুরস্ক। দেশটির পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান বলেছেন, ত্রিপক্ষীয় প্রতিরক্ষা চুক্তির আওতায় সৌদির প্রয়োজনীয়তা, বিশেষ করে প্রযুক্তিগত সামরিক সহায়তার বিষয়টি বিবেচনা করবে আঙ্কারা। একই চুক্তির আওতায় সৌদির নিরাপত্তায় প্রয়োজন অনুযায়ী সহায়তার কথা জানিয়েছে পাকিস্তানও।


ইয়েমেনে হুতিদের হামলা বাড়তে থাকায় সৌদি আরবের নিরাপত্তা পরিস্থিতি নিয়ে উদ্বেগের মধ্যে দেশটিকে সামরিক সহায়তার ইঙ্গিত দিয়েছে তুরস্ক।


তুরস্কের পররাষ্ট্রমন্ত্রী হাকান ফিদান বলেছেন, হুতি হামলার কারণে সৌদি আরবের কিছু সামরিক প্রয়োজন তৈরি হয়ে থাকতে পারে। ত্রিপক্ষীয় প্রতিরক্ষা চুক্তির আওতায় এসব প্রয়োজন কীভাবে পূরণ করা যায়, তা তুরস্ক বিবেচনা করবে। বিশেষ করে কিছু প্রযুক্তিগত সামরিক প্রয়োজন মেটাতে সহায়তার ক্ষেত্রে আঙ্কারার আপত্তি নেই বলে জানান তিনি।


শুক্রবার (১৮ সেপ্টেম্বর) তুরস্কের সম্প্রচারমাধ্যম এনটিভিকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে ফিদান বলেন, সৌদি আরবকে যুক্তরাষ্ট্র ও ইরানের চলমান সংঘাতে জড়িয়ে পড়তে বাধ্য করা কোনোভাবেই গ্রহণযোগ্য নয়। রিয়াদও এই সংঘাতে জড়াতে চায় না বলে মন্তব্য করেন তিনি।


ফিদান জানান, সংঘাতের অবসান ঘটাতে সংশ্লিষ্ট পক্ষগুলোর কাছে তুরস্ক কিছু প্রস্তাব দিয়েছে। তবে এসব প্রস্তাবের বিস্তারিত তিনি প্রকাশ করেননি।


এদিকে ইয়েমেনের হুতি গোষ্ঠী ও সৌদি আরবের মধ্যে হামলা-পাল্টা হামলা অব্যাহত রয়েছে। সাম্প্রতিক সময়ে সৌদি ভূখণ্ডে হুতিদের ক্ষেপণাস্ত্র ও ড্রোন হামলা বেড়েছে। ১৯ সেপ্টেম্বর রিয়াদ লক্ষ্য করে হুতিদের একটি ক্ষেপণাস্ত্র হামলা সৌদি কর্তৃপক্ষ প্রতিহত করার কথা জানিয়েছে।


এই পরিস্থিতিতে তুরস্ক, সৌদি আরব ও পাকিস্তানের মধ্যে সম্প্রতি স্বাক্ষরিত ত্রিপক্ষীয় প্রতিরক্ষা চুক্তিটি নতুন করে গুরুত্ব পাচ্ছে। চুক্তি অনুযায়ী, তিন দেশের যেকোনো একটির ওপর সশস্ত্র হামলাকে তিন দেশের ওপর হামলা হিসেবে বিবেচনা করার কথা বলা হয়েছে। পাকিস্তানের সামরিক মুখপাত্রও সৌদি আরবের নিরাপত্তায় প্রয়োজন অনুযায়ী সহায়তার প্রতিশ্রুতি দিয়েছেন।


তবে তুরস্ক এখন পর্যন্ত সৌদিতে সেনা মোতায়েনের কোনো সিদ্ধান্ত ঘোষণা করেনি। ফিদানের বক্তব্যে মূলত সৌদি আরবের প্রয়োজনীয় সামরিক ও প্রযুক্তিগত সহায়তা দেওয়ার বিষয়টি বিবেচনার কথা বলা হয়েছে।