মঙ্গলবার , ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
মঙ্গলবার , ২২ সেপ্টেম্বর ২০২৬
হোমবিশ্বট্রাম্পের সঙ্গে সৌহার্দ্যপূর্ণ বৈঠকের পরও নেতানিয়াহুকে ‘গণহত্যার স্থপতি’ বললেন মামদানি

ট্রাম্পের সঙ্গে সৌহার্দ্যপূর্ণ বৈঠকের পরও নেতানিয়াহুকে ‘গণহত্যার স্থপতি’ বললেন মামদানি

favicon
ভোরের আলো ডেস্ক:
ট্রাম্পের সঙ্গে সৌহার্দ্যপূর্ণ বৈঠকের পরও নেতানিয়াহুকে ‘গণহত্যার স্থপতি’ বললেন মামদানি

মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্পের সঙ্গে নিউইয়র্কে সৌহার্দ্যপূর্ণ বৈঠকের পরও ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর বিষয়ে নিজের অবস্থান পুনর্ব্যক্ত করেছেন নিউইয়র্ক সিটির মেয়র জোহরান মামদানি। জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে যোগ দিতে নেতানিয়াহু নিউইয়র্কে এলে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের জারি করা গ্রেপ্তারি পরোয়ানা কার্যকর হওয়া উচিত বলে মন্তব্য করেছেন তিনি।


সিএনএনকে দেওয়া এক সাক্ষাৎকারে মামদানি নেতানিয়াহুকে যুদ্ধাপরাধী এবং ফিলিস্তিনি জনগণের বিরুদ্ধে সংঘটিত কর্মকাণ্ডের ‘গণহত্যার স্থপতি’ হিসেবে বর্ণনা করেন। তিনি জানান, ট্রাম্পের সঙ্গে গ্রেসি ম্যানশনে অনুষ্ঠিত বৈঠকেও নেতানিয়াহুর বিষয়টি নিয়ে আলোচনা হয়েছে।


এর আগে কয়েক মাস ধরে মামদানি বলে আসছিলেন, নেতানিয়াহু নিউইয়র্কে এলে তাকে গ্রেপ্তার করা হবে। তবে সম্প্রতি নিউইয়র্ক সিটির মেয়র হিসেবে নেতানিয়াহুকে গ্রেপ্তারের আইনি ক্ষমতা তার নেই বলে স্বীকার করেছেন তিনি। একই সঙ্গে নেতানিয়াহুর সফরের প্রতিবাদে আয়োজিত বিক্ষোভে অংশ না নেওয়ার কথাও জানিয়েছেন মামদানি।


গাজায় হামাসের বিরুদ্ধে ইসরায়েলের সামরিক অভিযানের সময় সংঘটিত কথিত যুদ্ধাপরাধের অভিযোগে আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের জারি করা গ্রেপ্তারি পরোয়ানার প্রসঙ্গ তুলে মামদানি বলেন, ওই পরোয়ানাকে সম্মান করা উচিত।


তিনি বলেন, আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালত যদি মনে করে কোনো ব্যক্তি আইন লঙ্ঘনের কারণে গ্রেপ্তারের যোগ্য, তাহলে কাউকে এর ঊর্ধ্বে রাখার সুযোগ নেই। তার মতে, সবাইকে জবাবদিহির আওতায় আনা উচিত।


আগামী বৃহস্পতিবার জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনে ভাষণ দেওয়ার কথা রয়েছে ইসরায়েলি প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহুর।


এদিকে ট্রাম্প ও মামদানির বৈঠকে তাদের রাজনৈতিক মতপার্থক্যের পাশাপাশি অভিবাসন নীতি ও নিউইয়র্কের আবাসন প্রকল্প নিয়ে আলোচনা হয়। বৈঠকের পর মামদানির প্রশংসা করেন ট্রাম্প।


ট্রাম্প বলেন, মামদানি একজন দুর্দান্ত মেয়র হবেন বলে তিনি আশা করেন এবং দায়িত্ব পালনের শুরুতেই তিনি ভালো করছেন।


জবাবে মামদানি বলেন, নিউইয়র্কের প্রতি ট্রাম্পের প্রতিশ্রুতিকে তারা স্বাগত জানান। দুই নেতার দৃষ্টিভঙ্গি ও বিশ্বাসে পার্থক্য থাকলেও শহরের মানুষের জন্য সহায়তা বা স্বস্তি আনতে পারে—এমন সবার সঙ্গেই তিনি আলোচনা চালিয়ে যাবেন।