ইসরায়েলকে নিরাপত্তা নীতিতে পরিবর্তনের আহ্বান আল-শারার
নিজেদের নিরাপত্তা নীতিতে পরিবর্তন আনার জন্য ইসরায়েলের প্রতি আহ্বান জানিয়েছেন সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট আহমেদ আল-শারা। একই সঙ্গে তিনি দাবি করেছেন, ইসরায়েল ও সিরিয়ার মধ্যে প্রায় এক বছর ধরে সরাসরি আলোচনা চলছে। একপর্যায়ে দুই দেশের আলোচনায় প্রায় ৯০ শতাংশ বিষয়ে সমঝোতাও হয়েছিল। তবে পরে ইসরায়েল তাদের অবস্থান পরিবর্তন করে অথবা নতুন কিছু শর্ত যুক্ত করে বলে অভিযোগ করেন তিনি।
মঙ্গলবার (২২ সেপ্টেম্বর) স্থানীয় সময় রাতে নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের অধিবেশনের সাইডলাইনে আটলান্টিক কাউন্সিল আয়োজিত এক প্যানেল আলোচনায় এসব কথা বলেন আল-শারা।
আলোচনায় ইসরায়েল-সিরিয়া সম্পর্ক, গোলান মালভূমির ভবিষ্যৎ, ইসরায়েলের নিরাপত্তা উদ্বেগ এবং নিজের অতীতের আল-কায়েদা-সংশ্লিষ্টতা নিয়েও কথা বলেন সিরিয়ার প্রেসিডেন্ট।
৭ অক্টোবরের হামলার পর ইসরায়েলি সমাজের গভীর আঘাতের বিষয়টি তিনি বোঝেন কি না এবং সাধারণ ইসরায়েলিদের উদ্দেশে তার কোনো বার্তা আছে কি না—এমন প্রশ্নের জবাবে আল-শারা বলেন, ওই হামলায় নিরীহ মানুষের সঙ্গে কী ঘটেছে, তা তিনি বুঝতে পারেন। তবে ইতিহাসের একটি ঘটনাকে কেন্দ্র করে পুরো আঞ্চলিক নীতি নির্ধারণ করা উচিত নয়।
তিনি বলেন, ৭ অক্টোবর নিরীহ মানুষের সঙ্গে যা ঘটেছে, তা তিনি বুঝতে পারেন। কিন্তু ইতিহাসে ঘটে যাওয়া একটি ঘটনার ভিত্তিতে সব নীতি নির্ধারণ করা সম্ভব নয়।
গাজায় প্রাণহানির প্রসঙ্গ তুলে আল-শারা বলেন, সেখানে ৭০ হাজারের বেশি মানুষ নিহত হয়েছেন, যাদের মধ্যে নারী ও শিশুও রয়েছে। তার মতে, ৭ অক্টোবরের ঘটনাকে কেন্দ্র করে সিরিয়ার বিষয়ে নীতি নির্ধারণ করা যৌক্তিক নয়; বরং এর মাধ্যমে আরও নিরাপত্তা হুমকি তৈরি হতে পারে।
আল-শারা আরও বলেন, কোনো দেশ যদি নিজেদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে চায়, তাহলে অন্যদের নিরাপত্তার প্রতিও তাদের সম্মান দেখাতে হবে।