মঙ্গলবার , ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
মঙ্গলবার , ২৯ সেপ্টেম্বর ২০২৬
হোম › বিশ্ব › হরমুজে মার্কিন সাবমেরিন ড্রোন আটকের দাবি ইরানের, অস্বীকার যুক্তরাষ্ট্রের

হরমুজে মার্কিন সাবমেরিন ড্রোন আটকের দাবি ইরানের, অস্বীকার যুক্তরাষ্ট্রের

favicon
ভোরের আলো ডেস্ক:
হরমুজে মার্কিন সাবমেরিন ড্রোন আটকের দাবি ইরানের, অস্বীকার যুক্তরাষ্ট্রের

হরমুজ প্রণালিতে একটি মার্কিন স্বয়ংক্রিয় ডুবযান বা অটোনোমাস আন্ডারওয়াটার ভেহিকেল (এইউভি) আটকের দাবি করেছে ইরানের ইসলামিক রেভল্যুশনারি গার্ড কর্পস (আইআরজিসি)। তবে ইরানের এ দাবি নাকচ করেছে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী।


রোববার (২৭ সেপ্টেম্বর) স্থানীয় সময় সন্ধ্যায় আইআরজিসি দাবি করে, তাদের নৌবাহিনী উন্নত প্রযুক্তির একটি মার্কিন স্বয়ংক্রিয় ডুবযান আটক করেছে।


তবে কাতারভিত্তিক সংবাদমাধ্যম আল জাজিরাকে দেওয়া সাক্ষাৎকারে মার্কিন সামরিক বাহিনীর এক মুখপাত্র বলেন, সব ইউএভির ওপরই যুক্তরাষ্ট্রের ‘ইতিবাচক নিয়ন্ত্রণ’ রয়েছে। হরমুজ প্রণালিতে একটি অত্যাধুনিক মার্কিন ডুবযান আটকের ইরানি দাবি ‘স্পষ্টতই হতাশাজনক’ বলেও মন্তব্য করেন তিনি।


অন্যদিকে, আইআরজিসির মুখপাত্র ব্রিগেডিয়ার জেনারেল হোসেইন মোহেবি সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম এক্সে দেওয়া এক বিবৃতিতে দাবি করেন, হরমুজ প্রণালিতে মার্কিন সাবমেরিন লক্ষ্য করে অভিযান চালানোর ক্ষেত্রেও তাদের নৌবাহিনী সক্রিয় রয়েছে।


মোহেবির দাবি, এটি কোনো মার্কিন ডুবযান আটকের দ্বিতীয় ঘটনা। তার ভাষ্য অনুযায়ী, আটক করা ডুবযানটির মডেল ‘এমকে ১৮ মড ২ কিংফিস’। এটি উন্নত নেভিগেশন ব্যবস্থাসম্পন্ন একটি স্বয়ংক্রিয় ডুবযান এবং এর মূল্য কয়েক মিলিয়ন ডলার।


আইআরজিসির মুখপাত্র দাবি করেন, ডুবযানটি আটক করা তাদের জন্য বড় ধরনের গোয়েন্দা তথ্য সংগ্রহের সুযোগ তৈরি করেছে।


এর আগে চলতি মাসের শুরুতেও হরমুজ প্রণালিতে একটি মার্কিন মানববিহীন ডুবযান আটকের দাবি করেছিল আইআরজিসি। ইরানি সংবাদমাধ্যমের প্রতিবেদনে তখন বলা হয়, আটক ডুবযানটি ছিল ‘ডাইভ-এলডি’, যা ক্যালিফোর্নিয়াভিত্তিক প্রতিরক্ষা প্রযুক্তি প্রতিষ্ঠান অ্যান্ডুরিল তৈরি করেছে।


সেসময় আইআরজিসি নৌবাহিনী দাবি করেছিল, হরমুজ প্রণালির প্রবেশমুখে তারা মার্কিন বাহিনীর একটি আধুনিক মানববিহীন ডুবযান আটক করেছে।


তবে ওই ঘটনায় পেন্টাগন জানিয়েছিল, একটি পানির নিচে পরিচালিত ড্রোন এক দিনেরও বেশি সময় আগে বিকল হয়ে পড়েছিল। মার্কিন প্রতিরক্ষা দফতরের ভাষ্য অনুযায়ী, ড্রোনটি চলমান সামরিক অভিযানে সহায়তার জন্য আঞ্চলিক জলসীমা পর্যবেক্ষণ করছিল। এটি পুরোনো মডেলের ড্রোন ছিল এবং এতে সংবেদনশীল তথ্য বা রাডার সরঞ্জাম ছিল না।


তখন ইরানের পক্ষ থেকে ডুবযান আটকের দাবির বিষয়ে পেন্টাগন সরাসরি কোনো মন্তব্য করেনি।