মঙ্গলবার , ২০ অক্টোবর ২০২৬
মঙ্গলবার , ২০ অক্টোবর ২০২৬
হোম › জাতীয় › ড. ইউনূস ও অন্তর্বর্তী সরকারের প্রতি পূর্ণ সমর্থন বিশ্বনেতাদের

ড. ইউনূস ও অন্তর্বর্তী সরকারের প্রতি পূর্ণ সমর্থন বিশ্বনেতাদের

favicon
ভোরের আলো ডেস্ক:
ড. ইউনূস ও অন্তর্বর্তী সরকারের প্রতি পূর্ণ সমর্থন বিশ্বনেতাদের

অন্তর্বর্তী সরকারের প্রধান উপদেষ্টা ড. মুহাম্মদ ইউনূস ও তার নেতৃত্বাধীন সরকারের প্রতি পূর্ণ সমর্থন জানিয়েছেন বিশ্বের শীর্ষস্থানীয় নেতারা। শুক্রবার নিউইয়র্কে জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের ৮০তম অধিবেশনের ফাঁকে এক বৈঠকে তারা বাংলাদেশের এই সংকটময় সময়ে সব ধরনের সহায়তার আশ্বাস দেন।


বৈঠকটির সভাপতিত্ব করেন লাটভিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট ও নিজামী গঞ্জাভি আন্তর্জাতিক কেন্দ্রের (এনজিআইসি) কো-চেয়ার ভাইরা ভিকে-ফ্রাইবারেগা। এতে আরও উপস্থিত ছিলেন স্লোভেনিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট বরুট পাহোর, সার্বিয়ার সাবেক প্রেসিডেন্ট বোরিস তাদিচ, ইউরোপীয় পরিষদের সাবেক প্রেসিডেন্ট ও বেলজিয়ামের সাবেক প্রধানমন্ত্রী চার্লস মিশেল, গ্রিসের সাবেক প্রধানমন্ত্রী জর্জ পাপানড্রেউসহ ইউরোপ ও এশিয়ার একাধিক সাবেক রাষ্ট্রপ্রধান ও সরকারপ্রধান।


এছাড়া সভায় অংশ নেন কমনওয়েলথের সাবেক মহাসচিব, জাতিসংঘ সাধারণ পরিষদের চার সাবেক প্রেসিডেন্ট, রবার্ট এফ কেনেডি হিউম্যান রাইটসের প্রেসিডেন্ট কেরি কেনেডি, আইএইএ এবং জর্জটাউন ইনস্টিটিউট ফর উইমেন, পিস অ্যান্ড সিকিউরিটির জ্যেষ্ঠ প্রতিনিধিরা।


বক্তারা ইউনূসের আজীবন দারিদ্র্য দূরীকরণ ও সামাজিক ন্যায়ের লড়াইয়ের প্রশংসা করে বলেন, “আমরা বাংলাদেশের জনগণের পাশে আছি। আপনাদের যেকোনো সহায়তা প্রয়োজন হলে জানাবেন।” কয়েকজন নেতা আন্তর্জাতিক সহযোগিতা ও সাহায্যের প্রতিশ্রুতিও দেন।


কেরি কেনেডি বাংলাদেশের মানবাধিকার অগ্রগতিকে ‘অসাধারণ’ আখ্যা দেন। জর্জটাউন ইনস্টিটিউটের নির্বাহী পরিচালক মেলান ভেরভিয়ার জানান, তাদের প্রতিষ্ঠান খুব শিগগিরই বাংলাদেশের জুলাই বিপ্লবের প্রতি আনুষ্ঠানিক সমর্থন জানাবে। এনজিআইসি কো-চেয়ার ইসমাইল সেরাজেলদিন বলেন, “আপনাদের প্রয়োজনে আমরা আছি।”


অভূতপূর্ব সমর্থনের জন্য কৃতজ্ঞতা জানিয়ে ড. ইউনূস বলেন, “এটি সম্পূর্ণ অপ্রত্যাশিত। এতগুলো আন্তর্জাতিক নেতা একত্রিত হয়ে পাশে দাঁড়ানো সত্যিই অভাবনীয়। আমি মুগ্ধ।” তিনি গত ১৫ বছরের পরিস্থিতিকে রিখটার স্কেলে ৯ মাত্রার ভূমিকম্পের সঙ্গে তুলনা করে বলেন, সীমিত সম্পদের মধ্যেও জনগণের প্রত্যাশা পূরণই এখন সবচেয়ে বড় চ্যালেঞ্জ।


তিনি তরুণদের স্বপ্ন বাস্তবায়নের প্রতিশ্রুতি দিয়ে বলেন, নতুন বাংলাদেশ গঠনে আন্তর্জাতিক সম্প্রদায়ের দিকনির্দেশনা, নৈতিক শক্তি ও সমর্থন প্রয়োজন। একই সঙ্গে তিনি ফেব্রুয়ারিতে অনুষ্ঠেয় জাতীয় নির্বাচনে বৈশ্বিক সহযোগিতা কামনা করেন।


সভায় এসডিজি কো-অর্ডিনেটর লামিয়া মোর্শেদও উপস্থিত ছিলেন।