বাংলাদেশ ও মায়ানমারে পরপর ভূমিকম্প, সতর্কতার আহ্বান
ঢাকা, চট্টগ্রামসহ দেশের বিভিন্ন অঞ্চলে ভূমিকম্প অনুভূত হয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের ভূতাত্ত্বিক জরিপ সংস্থা ইউএসজিএস বলছে, মঙ্গলবার (৩ ফেব্রুয়ারি) বাংলাদেশ সময় রাত ৯টা ৩৩ মিনিটে এই ভূমিকম্পের মাত্রা ছিল রিখটার স্কেলে ৫.৯। এর উৎপত্তিস্থল মায়ানমারে ছিল।
কানাডার সাসকাচুয়ান বিশ্ববিদ্যালয়ের আবহাওয়া ও জলবায়ু গবেষক মোস্তফা কামাল পলাশ সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে জানিয়েছেন, পরপর দুইবার ভূমিকম্প হওয়ায় আফটারশকের সম্ভাবনা রয়েছে।
তিনি বলেন, “আমেরিকান ভূতাত্ত্বিক অধিদপ্তর ইউএসজিএসের তথ্য অনুযায়ী, এই ভূমিকম্পটি ৫.৯ মাত্রার এবং প্রায় ৬৩ কিলোমিটার গভীরে সংঘটিত হয়েছে। এটি সেই ফল্ট লাইনে হয়েছে, যেখানে ২০২৪ সালে ৭.৫ মাত্রার শক্তিশালী ভূমিকম্প দেখা দিয়েছিল। ফলে আফটারশকের সম্ভাবনা আছে।”
প্রায় ২০ মিনিটের ব্যবধানে মায়ানমারে আবারও ৫.৩ মাত্রার ভূমিকম্প আঘাত হানে। মেডিটেরেনিয়ান সিসমোলজিক্যাল সেন্টার (ইএমএসসি) জানিয়েছে, মঙ্গলবার রাত ৯টা ৫১ মিনিটে এই ভূমিকম্পটি রেকর্ড করা হয়েছে। এর উৎপত্তিস্থল প্রায় ৫০ কিলোমিটার গভীরে এবং কেন্দ্রস্থল নির্ধারণ করা হয়েছে ২০.৫১০ ডিগ্রি উত্তর অক্ষাংশ ও ৯৩.৯৩২ ডিগ্রি পূর্ব দ্রাঘিমাংশে।
এর আগে, এদিন ভোরে আরও একটি ভূমিকম্প আঘাত হানে। রিখটার স্কেলে এর মাত্রা ছিল ৪.১, যা মৃদু ধরনের ভূমিকম্প হিসেবে ধরা হয়। এর কেন্দ্রস্থল ছিল রাজধানী ঢাকা থেকে প্রায় ১৭৫ কিলোমিটার দক্ষিণ-পশ্চিমে, সাতক্ষীরার কলারোয়া এলাকায়।
ভূমিকম্প বিশেষজ্ঞরা সতর্ক করে জানিয়েছেন, জনগণ যেন প্রস্তুত থাকে এবং প্রয়োজনীয় নিরাপত্তা ব্যবস্থা গ্রহণ করে।