ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন শান্তিপূর্ণ হলেও কয়েক আসনে অনিয়মের অভিযোগে প্রার্থীদের ভোট বর্জন
সারা দেশে মোটামুটি শান্তিপূর্ণ পরিবেশে ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচন ও গণভোটের ভোটগ্রহণ সম্পন্ন হয়েছে। তবে কয়েকটি আসনে অনিয়ম, কারচুপি ও প্রশাসনিক পক্ষপাতিত্বের অভিযোগ তুলে বিভিন্ন দল ও স্বতন্ত্রসহ পাঁচজন প্রার্থী ভোট বর্জনের ঘোষণা দিয়েছেন।
কুমিল্লা-৪ (দেবিদ্বার) আসনে ভোটগ্রহণ শেষ হওয়ার পর বিএনপির সমর্থন পাওয়া গণঅধিকার পরিষদের প্রার্থী মো. আ. জসিম উদ্দিন ফেসবুক লাইভে এসে ভোট কারচুপি, কেন্দ্র দখল, এজেন্টদের বের করে দেওয়া এবং অবৈধ অর্থ বিতরণের অভিযোগ করেন। এ আসনে তার প্রধান প্রতিদ্বন্দ্বী ছিলেন জাতীয় নাগরিক পার্টির (এনসিপি) দক্ষিণাঞ্চলের মুখ্য সংগঠক আবুল হাসনাত আবদুল্লাহ। বিএনপি থেকে প্রথমে মনোনয়ন পেয়েছিলেন চারবারের সাবেক সংসদ সদস্য মঞ্জুরুল আহসান মুন্সী; তবে ঋণখেলাপির দায়ে আদালত তার প্রার্থিতা বাতিল করলে জসিম উদ্দিনকে সমর্থন দেয় দলটি।
নারায়ণগঞ্জ-৩ আসনে অনিয়ম ও ভোট কারচুপির অভিযোগ তুলে ভোট বর্জন করেছেন স্বতন্ত্র প্রার্থী অধ্যাপক মো. রেজাউল করিম, যিনি আগে বিএনপির প্রার্থী হিসেবে চারবার সংসদ সদস্য নির্বাচিত হয়েছিলেন।
দিনাজপুর-৫ আসনে পেশিশক্তির ব্যবহার, অর্থের বিনিময়ে ভোট কেনাবেচা এবং কেন্দ্রগুলোতে এজেন্টদের সঙ্গে অসহযোগিতামূলক আচরণের অভিযোগ এনে নির্বাচন বর্জনের ঘোষণা দেন স্বতন্ত্র প্রার্থী রুস্তম আলী।
এছাড়া কিশোরগঞ্জ-৪ আসনে অনিয়ম, জালভোট ও প্রশাসনের একপেশে আচরণের অভিযোগ তুলে ভোট বর্জন করেন স্বতন্ত্র প্রার্থী কাজী রেহা কবির সিগমা (ফুটবল প্রতীক)।