শুক্রবার , ২৬ জুন ২০২৬
শুক্রবার , ২৬ জুন ২০২৬
হোমজাতীয়জ্বালানি সংকটের শঙ্কায় তেল বিক্রিতে সীমা নির্ধারণ

জ্বালানি সংকটের শঙ্কায় তেল বিক্রিতে সীমা নির্ধারণ

favicon
ভোরের আলো ডেস্ক:
জ্বালানি সংকটের শঙ্কায় তেল বিক্রিতে সীমা নির্ধারণ

ইরানে যুক্তরাষ্ট্র ও ইসরায়েলের হামলার পর বিশ্ববাজারে জ্বালানি সংকটের আশঙ্কা তৈরি হয়েছে। এ পরিস্থিতিতে দেশের ফিলিং স্টেশনগুলো থেকে কী পরিমাণ জ্বালানি সংগ্রহ করা যাবে, তা নির্ধারণ করে দিয়েছে বাংলাদেশ পেট্রলিয়াম করপোরেশন।

নির্দেশনা অনুযায়ী, একটি মোটরসাইকেল দিনে সর্বোচ্চ ২ লিটার পেট্রল বা অকটেন নিতে পারবে। ব্যক্তিগত গাড়ির ক্ষেত্রে প্রতিদিন ১০ লিটার তেল নেওয়ার অনুমতি থাকবে।

এ ছাড়া জিপ ও মাইক্রোবাস দিনে ২০ থেকে ২৫ লিটার তেল নিতে পারবে। পিকআপ বা স্থানীয় বাসের জন্য ডিজেলের পরিমাণ নির্ধারণ করা হয়েছে ৭০ থেকে ৮০ লিটার। আর দূরপাল্লার বাস, ট্রাক, কাভার্ড ভ্যান ও কনটেইনার ট্রাকের ক্ষেত্রে প্রতিদিন ২০০ থেকে ২২০ লিটার তেল নেওয়া যাবে।

জ্বালানি তেল কেনার সময় রসিদ নেওয়া বাধ্যতামূলক করা হয়েছে এবং পরবর্তীবার তেল নেওয়ার সময় সেই রসিদ দেখাতে হবে।

তবে চালকদের মতে, নির্ধারিত এই পরিমাণ তেল সাধারণ ব্যবহারের জন্য যথেষ্ট হলেও ভাড়ায় চালিত মোটরসাইকেল ও গাড়ির জন্য তা পর্যাপ্ত নয়। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক এক মোটরসাইকেল চালক জানান, দুই লিটার তেলে তার মোটরসাইকেল প্রায় ৭০ কিলোমিটার চলতে পারে, অথচ তিনি প্রতিদিন গড়ে প্রায় ১৫০ কিলোমিটার চালান। তাই তেল সীমিত হলে আয়ের ওপর প্রভাব পড়বে বলে তিনি আশঙ্কা করছেন।

এদিকে বিদ্যুৎ ও জ্বালানি প্রতিমন্ত্রী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত রাজধানীর পরীবাগে একটি ফিলিং স্টেশন পরিদর্শন করে বলেন, জ্বালানি সরবরাহ নিয়ে জনগণের উদ্বিগ্ন হওয়ার কোনো কারণ নেই। তিনি সরকারের পক্ষ থেকে সবাইকে আশ্বস্ত করেছেন যে দেশে জ্বালানি সরবরাহ স্বাভাবিক রয়েছে।