মধ্যপ্রাচ্যের যুদ্ধ পরিস্থিতি: দেশে জ্বালানি মজুদ পর্যাপ্ত, প্রধানমন্ত্রীর কাছে প্রতিবেদন
মধ্যপ্রাচ্যে চলমান যুদ্ধ পরিস্থিতির প্রেক্ষাপটে দেশের জ্বালানি নিরাপত্তার সর্বশেষ অবস্থা সম্পর্কে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমানকে অবহিত করেছে জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ বিভাগ।
শনিবার (৭ মার্চ) ছুটির দিন সকালে প্রধানমন্ত্রীর কাছে এ বিষয়ে একটি বিস্তারিত প্রতিবেদন জমা দেয় সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয়। প্রতিবেদনে জানানো হয়েছে, দেশে পর্যাপ্ত জ্বালানি মজুদ রয়েছে এবং তা নিয়ে কোনো ধরনের সংকটের আশঙ্কা নেই।
জ্বালানি ও খনিজ সম্পদ মন্ত্রণালয়ের যুগ্ম সচিব (কার্যক্রম) মনির হোসেন চৌধুরী বলেন, ইরান যুদ্ধের প্রেক্ষাপটে বিশ্বজুড়ে যে জ্বালানি অনিশ্চয়তা তৈরি হয়েছে, তার মধ্যেও বাংলাদেশ দ্রুততার সঙ্গে নিজস্ব জ্বালানি নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে সক্ষম হয়েছে।
তিনি জানান, সার্বিক পরিস্থিতি প্রধানমন্ত্রীকে জানানো হয়েছে এবং তিনি এ বিষয়ে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দিচ্ছেন। পাশাপাশি দেশে যেন কোনো ধরনের জ্বালানি সংকট সৃষ্টি না হয়, সে লক্ষ্যে আন্তর্জাতিক উৎসগুলোর সঙ্গে সার্বক্ষণিক যোগাযোগ বজায় রাখতে প্রয়োজনীয় নির্দেশনাও দিয়েছেন প্রধানমন্ত্রী।
ডিজেল মজুদের বিষয়ে মনির হোসেন চৌধুরী জানান, দেশে প্রতি মাসে ডিজেলের চাহিদা প্রায় ৩ লাখ ৮০ হাজার টন। বর্তমানে বাংলাদেশ পেট্রোলিয়াম করপোরেশনের কাছে ১ লাখ টনের বেশি ডিজেল মজুদ রয়েছে।
তিনি আরও বলেন, বাকি ২ লাখ ৮০ হাজার টন ডিজেলের একটি অংশ ইতোমধ্যে দেশে পৌঁছাতে শুরু করেছে, কিছু পরিমাণ সমুদ্রপথে জাহাজে রয়েছে এবং অবশিষ্ট অংশ আমদানি প্রক্রিয়ায় রয়েছে। ফলে চলতি মার্চ মাসে ডিজেল সংকটের কোনো আশঙ্কা নেই।
এ ছাড়া আরও চারটি ভিন্ন উৎস থেকে অতিরিক্ত ১ লাখ টন ডিজেল আমদানির বিষয়টি প্রায় চূড়ান্ত হয়েছে এবং বর্তমানে সরবরাহকারী প্রতিষ্ঠানগুলোর সঙ্গে নথিপত্র সম্পন্ন করার কাজ চলছে।