শুক্রবার , ০১ মে ২০২৬
শুক্রবার , ০১ মে ২০২৬
হোমআইন ও আদালতনির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার গণতন্ত্র রক্ষার অপরিহার্য ব্যবস্থা

নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার গণতন্ত্র রক্ষার অপরিহার্য ব্যবস্থা

favicon
ভোরের আলো ডেস্ক:
নির্দলীয় তত্ত্বাবধায়ক সরকার গণতন্ত্র রক্ষার অপরিহার্য ব্যবস্থা

তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা সংক্রান্ত সংবিধানের ত্রয়োদশ সংশোধনী কোনো বিচ্যুতি ছিল না; বরং এটি ছিল গণতন্ত্রকে সুরক্ষা দেওয়ার একটি অপরিহার্য রক্ষাকবচ—এমন পর্যবেক্ষণ দিয়েছেন আপিল বিভাগ।

১৫ বছর আগে ত্রয়োদশ সংশোধনী বাতিল করে দেওয়া আপিল বিভাগের রায় বাতিল করে গত বছরের ২০ নভেম্বর দেওয়া রায়ে এ মন্তব্য করা হয়। সাবেক প্রধান বিচারপতি সৈয়দ রেফাত আহমেদের নেতৃত্বাধীন সাত বিচারপতির আপিল বেঞ্চ সর্বসম্মতভাবে এ রায় দেন।

এর আগে ২০১১ সালের ১০ মে সাবেক প্রধান বিচারপতি এ বি এম খায়রুল হকের নেতৃত্বাধীন সাত বিচারপতির আপিল বেঞ্চ সংখ্যাগরিষ্ঠ মতামতের ভিত্তিতে তত্ত্বাবধায়ক সরকার ব্যবস্থা বাতিল করেছিলেন। সংক্ষিপ্ত আদেশের ১৬ মাস পর ২০১২ সালের ১৬ সেপ্টেম্বর ওই রায়ের পূর্ণাঙ্গ অনুলিপি প্রকাশিত হয়। সে সময় রায় পরিবর্তনের অভিযোগও ওঠে।

জুলাইয়ের অভ্যুত্থানে গত বছর শেখ হাসিনা সরকারের পতনের পর ১৪ বছর আগের সেই রায় পুনর্বিবেচনার আবেদন করা হয়। গত বছরের ২৭ আগস্ট ‘সুজন—সুশাসনের জন্য নাগরিক’-এর সম্পাদক বদিউল আলম মজুমদারসহ পাঁচজন এ আবেদন করেন।

পরে বিএনপির মহাসচিব মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীর ১৭ অক্টোবর এবং জামায়াতে ইসলামীর সেক্রেটারি জেনারেল মিয়া গোলাম পরওয়ার ২৩ অক্টোবর পৃথক আবেদন করেন। এছাড়া নওগাঁর রানীনগরের বাসিন্দা বীর মুক্তিযোদ্ধা মো. মোফাজ্জল হোসেনও একটি আবেদন করেন।

এসব আবেদনের মধ্যে দুটি আবেদনে আপিলের অনুমতি দিয়ে চারটি আবেদন একত্র করা হয় এবং একটি আবেদন কার্যতালিকা থেকে বাদ দেওয়া হয়। পরে গত বছরের ২১ অক্টোবর থেকে শুনানি শুরু হয়।

বদিউল আলম মজুমদারসহ পাঁচজনের পক্ষে শুনানি করেন আইনজীবী শরীফ ভূঁইয়া। মির্জা ফখরুল ইসলাম আলমগীরের পক্ষে শুনানি করেন জ্যেষ্ঠ আইনজীবী জয়নুল আবেদীন ও রুহুল কুদ্দুস কাজল।