ভারতে ব্যঙ্গাত্মক অনলাইন দল সিজেপি ও বিপিআই নিয়ে তরুণদের আগ্রহ বাড়ছে
ভারত-এর অনলাইন অঙ্গনে সম্প্রতি দুটি ব্যঙ্গাত্মক রাজনৈতিক আন্দোলন ব্যাপক আলোচনার জন্ম দিয়েছে। ‘তেলাপোকা জনতা পার্টি’ (সিজেপি) এবং ‘বি পার্টি অব ইন্ডিয়া’ (বিপিআই) নামের এই অনলাইনভিত্তিক উদ্যোগগুলো তরুণদের মধ্যে দ্রুত জনপ্রিয়তা পাচ্ছে।
যদিও দলগুলো আনুষ্ঠানিক রাজনৈতিক সংগঠন নয়, তবুও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে এগুলোর প্রভাব উল্লেখযোগ্যভাবে বেড়েছে। তরুণরা এই প্ল্যাটফর্মগুলো ব্যবহার করে নিজেদের হতাশা, বৈষম্য, বেকারত্ব এবং বর্তমান রাজনৈতিক বাস্তবতা নিয়ে ব্যঙ্গাত্মক প্রতিক্রিয়া প্রকাশ করছেন।
‘তেলাপোকা জনতা পার্টি’ বা সিজেপি একটি ভাইরাল ইস্যুকে কেন্দ্র করে আলোচনায় আসে। ব্যঙ্গাত্মক উপস্থাপনার মাধ্যমে দলটি খুব অল্প সময়ের মধ্যে সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে ব্যাপক জনপ্রিয়তা অর্জন করে। পরে ভারতে সিজেপির এক্স (সাবেক টুইটার) অ্যাকাউন্ট বন্ধ করে দেওয়া হয় বলে জানা গেছে।
সিজেপির প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকে দাবি করেছেন, আন্দোলনের ওয়েবসাইট ও সামাজিক
যোগাযোগমাধ্যমের অ্যাকাউন্টগুলোর ওপর বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে।
সমর্থকদের মতে, সিজেপি বেকারত্ব, সামাজিক বৈষম্য এবং সাধারণ মানুষের প্রতি অবহেলার বিরুদ্ধে এক ধরনের প্রতিবাদী প্রতীক। দলটি ‘তেলাপোকা’কে দুর্বলতার নয়, বরং টিকে থাকার প্রতীক হিসেবে ব্যবহার করছে।
অন্যদিকে ‘বি পার্টি অব ইন্ডিয়া’ বা বিপিআই ভিন্নধর্মী বার্তা নিয়ে সামনে এসেছে। দলটি মৌমাছির সম্মিলিত কাজের ধারণাকে রূপক হিসেবে ব্যবহার করে সহযোগিতা ও সম্মিলিত অগ্রগতির কথা বলছে।
বিপিআই-এর মূল দর্শন হলো—সমাজ তখনই এগিয়ে যেতে পারে, যখন সবাই একসঙ্গে অবদান রাখে। দলটির ভাষ্য অনুযায়ী, রাজনীতি কেবল সংঘাত নয়; এটি সহযোগিতা, অংশগ্রহণ এবং সম্মিলিত উন্নয়নেরও মাধ্যম হতে পারে।