জনগণ সিদ্ধান্ত নিয়েছে, বিএনপি আগামী পাঁচ বছর দেশ পরিচালনা করবে: প্রধানমন্ত্রী
চালের বাজার স্থিতিশীল, সরবরাহেও নেই সংকট: বাণিজ্যমন্ত্রী
দেশের চালের বাজার বর্তমানে স্থিতিশীল রয়েছে এবং সরবরাহ পরিস্থিতিও সন্তোষজনক বলে জানিয়েছেন বাণিজ্যমন্ত্রী খন্দকার আব্দুল মুক্তাদির।
বুধবার (১৭ জুন) পাইকারি চালের বাজার পরিদর্শনের পর সচিবালয়ে আয়োজিত এক ব্রিফিংয়ে তিনি এ কথা বলেন।
বাণিজ্যমন্ত্রী জানান, নতুন চাল বাজারে আসায় পুরোনো চালের দাম কেজিপ্রতি এক থেকে দেড় টাকা বৃদ্ধি পেয়েছে। তবে সামগ্রিকভাবে চালের বাজারে কোনো অস্বাভাবিক মূল্যবৃদ্ধি নেই।
তিনি বলেন, পাইকারি ও খুচরা বাজারে চালের দামে উল্লেখযোগ্য কোনো পার্থক্য দেখা যায়নি। বাজার পরিস্থিতি স্বাভাবিক রয়েছে এবং চালের সরবরাহও ভালো আছে।
মন্ত্রী আরও বলেন, সরকারের বিভিন্ন সংস্থা প্রতিদিন বাজার পর্যবেক্ষণ করছে। কেউ যদি কৃত্রিমভাবে পণ্যের দাম বাড়ানোর চেষ্টা করে, তাহলে তার বিরুদ্ধে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা নেওয়া হবে।
অন্যদিকে খাদ্য প্রতিমন্ত্রী মো. আব্দুল বারী বলেন, দেশে বর্তমানে প্রায় ২০ লাখ টন খাদ্যশস্য মজুত রয়েছে। এর মধ্যে ১৭ লাখ টন চাল এবং ৩ লাখ টন গম রয়েছে।
তিনি আশ্বস্ত করে বলেন, ভবিষ্যতে কোনো ধরনের ঘাটতি দেখা দিলেও বিদ্যমান খাদ্য মজুত ব্যবহার করে পরিস্থিতি সফলভাবে মোকাবিলা করা সম্ভব হবে।
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে চুক্তি বাংলাদেশকে আরও শক্তিশালী করবে: পররাষ্ট্রমন্ত্রী
যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে স্বাক্ষরিত চুক্তি বাংলাদেশকে জ্বালানি নিরাপত্তাসহ বিভিন্ন ক্ষেত্রে আরও শক্তিশালী করবে বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী খলিলুর রহমান।
বুধবার (১৭ জুন) জাতীয় সংসদে গাজীপুর-৫ আসনের সংসদ সদস্য একেএম ফজলুল হক মিলনের প্রশ্নের জবাবে তিনি এ কথা বলেন। স্পিকার মেজর (অব.) হাফিজ উদ্দিন আহমদের সভাপতিত্বে অধিবেশনের প্রশ্নোত্তর পর্বে বিষয়টি উত্থাপিত হয়।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, যুক্তরাষ্ট্রের সঙ্গে সম্প্রতি অ্যাগ্রিমেন্ট অন রিসিপ্রোকাল ট্রেড (এআরটি) স্বাক্ষরিত হয়েছে। এই চুক্তির আওতায় মার্কিন তুলা ব্যবহার করে উৎপাদিত তৈরি পোশাকে শূন্য শুল্ক সুবিধা নিশ্চিত হয়েছে।
তিনি বলেন, চুক্তিটি বৈদেশিক বিনিয়োগ আকর্ষণ, জ্বালানি নিরাপত্তা বৃদ্ধি এবং বৈশ্বিক সরবরাহ ব্যবস্থায় বাংলাদেশের অবস্থান শক্তিশালী করতে ইতিবাচক ভূমিকা রাখবে।
খলিলুর রহমান বলেন, রপ্তানি বাজার সম্প্রসারণ, রপ্তানি পণ্যের বৈচিত্র্য বৃদ্ধি, আন্তর্জাতিক বিনিয়োগ আকর্ষণ এবং কর্মসংস্থানভিত্তিক অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি অর্জন সরকারের অন্যতম অগ্রাধিকার।
তিনি আরও বলেন, বৈশ্বিক অর্থনীতির পরিবর্তিত পরিস্থিতিতে বাংলাদেশের ব্যবসায়ী ও উদ্যোক্তাদের আন্তর্জাতিক বাণিজ্যের সঙ্গে আরও সম্পৃক্ত করতে অর্থনৈতিক কূটনীতিকে গুরুত্ব দেওয়া হচ্ছে। এ লক্ষ্যে পররাষ্ট্র মন্ত্রণালয়, বাংলাদেশ বিনিয়োগ উন্নয়ন কর্তৃপক্ষ, বাংলাদেশ অর্থনৈতিক অঞ্চল কর্তৃপক্ষসহ সংশ্লিষ্ট প্রতিষ্ঠানগুলো একসঙ্গে কাজ করছে।
পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, ইউরোপ ও আমেরিকার প্রচলিত বাজারের পাশাপাশি মধ্যপ্রাচ্য, আফ্রিকা, দক্ষিণ-পূর্ব এশিয়া, দক্ষিণ আমেরিকা, মধ্য এশিয়া এবং পূর্ব ইউরোপের নতুন বাজারগুলোতে বাংলাদেশের বাণিজ্যিক উপস্থিতি বাড়ানোর উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
তিনি বলেন, বিভিন্ন দেশের সঙ্গে প্রেফারেনশিয়াল ট্রেড অ্যাগ্রিমেন্ট, মুক্ত বাণিজ্য চুক্তি এবং সমন্বিত অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব চুক্তির বিষয়ে আলোচনা চলছে। সংযুক্ত আরব আমিরাতের সঙ্গে সমন্বিত অর্থনৈতিক অংশীদারত্ব চুক্তি নিয়ে আলোচনা শুরু হয়েছে এবং মালয়েশিয়া, সিঙ্গাপুর ও থাইল্যান্ডের সঙ্গে মুক্ত বাণিজ্য চুক্তির উদ্যোগ এগিয়ে যাচ্ছে।
তিনি আরও জানান, সরকারের কূটনৈতিক প্রচেষ্টায় কৃষিপণ্য ও অপ্রচলিত রপ্তানি খাতেও নতুন সুযোগ তৈরি হচ্ছে। সম্প্রতি ভিয়েতনামের বাজারে বাংলাদেশের আলু রপ্তানির সুযোগ তৈরি হয়েছে এবং মালয়েশিয়ায় আম রপ্তানির বিষয়েও কার্যক্রম চলছে।
logo
জাতীয়
স্পিকারের সঙ্গে জাপানের রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ
অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: ১৭ জুন, ২০২৬ ১৮:৫৫
স্পিকারের সঙ্গে জাপানের রাষ্ট্রদূতের সাক্ষাৎ
ছবি : বাসস
জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রমের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত জাপানের রাষ্ট্রদূত সাইদা শিনচি। বুধবার (১৭ জুন) স্পিকারের সংসদ কার্যালয়ে এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।
এ সময় স্পিকার জাপানকে দীর্ঘদিনের পরীক্ষিত, অকৃত্রিম বন্ধু দেশ হিসেবে উল্লেখ করে বাংলাদেশের বিভিন্ন সেক্টরে বিনিয়োগের জন্য কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন। তিনি বাংলাদেশ থেকে জাপানে দক্ষ জনশক্তি রপ্তানির জন্য রাষ্ট্রদূতের সহযোগিতা কামনা করেন।
স্পিকার বাংলাদেশের যোগাযোগ ও অর্থনৈতিক উন্নয়নে জাপানের শর্তহীন বিনিয়োগের জন্য জাপান সরকারের প্রতি কৃতজ্ঞতা জানান। ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধে বিজয়ের পর বাংলাদেশের স্বাধীনতাকে স্বীকৃতি প্রদানকারী প্রথম দিকের শিল্পোন্নত দেশগুলোর মধ্যে জাপান অন্যতম, তিনি এই স্বীকৃতির বিষয়টি শ্রদ্ধার সঙ্গে স্মরণ করেন।
জাপানের রাষ্ট্রদূত সাইদা শিনচি বলেন, বাংলাদেশ-জাপানের মধ্যকার সুদৃঢ় সম্পর্কের ভিত্তি হচ্ছে দুই দেশের জনগণের মধ্যে আন্তরিকতা ও সহানুভূতির মেলবন্ধন। তিনি বলেন, বাংলাদেশ-জাপান কৌশলগত অংশীদারি, বাংলাদেশের অর্থনীতিতে সহযোগিতা, বিনিয়োগ বৃদ্ধি, বাণিজ্য সম্প্রসারণ ও বাংলাদেশের অবকাঠামোগত উন্নয়ন সর্বোচ্চ গুরুত্বের সঙ্গে বিবেচনা করে জাপান সরকার।
রাষ্ট্রদূত বলেন, ১২ ফেব্রুয়ারি নির্বাচনকে জাতিসংঘ, জাপানসহ আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষক দল সর্বজন গ্রহণযোগ্য, নিরপেক্ষ, সুষ্ঠু ও অবাধ হয়েছে বলে রিপোর্ট দিয়েছে। নির্বাচনের পর বাংলাদেশে স্থিতিশীলতা ও গণতান্ত্রিক ধারা ফিরে আসায় বাংলাদেশে জাপানের চলমান উন্নয়ন কার্যক্রমের গতি বৃদ্ধি পেয়েছে বলে রাষ্ট্রদূত স্পিকারকে জানান।
এসময় জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সচিব ব্যারিস্টার মো. গোলাম সরওয়ার ভূঁইয়া ও জাপান দূতাবাসের দ্বিতীয় সচিব নিশি ইউকি উপস্থিত ছিলেন।
স্পিকারের সঙ্গে জাপানের রাষ্ট্রদূতের সৌজন্য সাক্ষাৎ
জাতীয় সংসদের স্পিকার হাফিজ উদ্দিন আহমদ বীর বিক্রমের সঙ্গে সৌজন্য সাক্ষাৎ করেছেন ঢাকায় নিযুক্ত জাপানের রাষ্ট্রদূত সাইদা শিনচি।
বুধবার (১৭ জুন) স্পিকারের সংসদ কার্যালয়ে এ সাক্ষাৎ অনুষ্ঠিত হয়।
সাক্ষাৎকালে স্পিকার জাপানকে বাংলাদেশের দীর্ঘদিনের পরীক্ষিত ও অকৃত্রিম বন্ধু দেশ হিসেবে উল্লেখ করেন। তিনি বাংলাদেশের বিভিন্ন খাতে জাপানের বিনিয়োগের জন্য দেশটির প্রতি কৃতজ্ঞতা প্রকাশ করেন।
স্পিকার বলেন, বাংলাদেশের যোগাযোগ ব্যবস্থা ও অর্থনৈতিক উন্নয়নে জাপানের বিনিয়োগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা রাখছে। পাশাপাশি বাংলাদেশ থেকে জাপানে দক্ষ জনশক্তি রপ্তানির ক্ষেত্রে রাষ্ট্রদূতের সহযোগিতা কামনা করেন তিনি।
তিনি আরও বলেন, ১৯৭১ সালের মহান মুক্তিযুদ্ধের পর বাংলাদেশের স্বাধীনতাকে স্বীকৃতি দেওয়া প্রথম দিকের শিল্পোন্নত দেশগুলোর মধ্যে জাপান অন্যতম। এই সম্পর্ক দুই দেশের বন্ধুত্বকে আরও শক্তিশালী করেছে।
জাপানের রাষ্ট্রদূত সাইদা শিনচি বলেন, বাংলাদেশ ও জাপানের সম্পর্কের ভিত্তি হচ্ছে দুই দেশের মানুষের মধ্যে আন্তরিকতা ও পারস্পরিক সহযোগিতা।
তিনি জানান, বাংলাদেশের সঙ্গে কৌশলগত অংশীদারত্ব, অর্থনৈতিক সহযোগিতা বৃদ্ধি, বিনিয়োগ সম্প্রসারণ, বাণিজ্য উন্নয়ন এবং অবকাঠামো খাতে সহায়তাকে জাপান সরকার বিশেষ গুরুত্ব দিচ্ছে।
রাষ্ট্রদূত আরও বলেন, ১২ ফেব্রুয়ারির নির্বাচনকে জাতিসংঘ, জাপানসহ আন্তর্জাতিক পর্যবেক্ষকরা গ্রহণযোগ্য, নিরপেক্ষ, অবাধ ও সুষ্ঠু বলে প্রতিবেদন দিয়েছে। নির্বাচনের পর বাংলাদেশে স্থিতিশীলতা ও গণতান্ত্রিক ধারা ফিরে আসায় জাপানের উন্নয়ন সহযোগিতা কার্যক্রম আরও গতিশীল হয়েছে বলেও তিনি উল্লেখ করেন।
এ সময় জাতীয় সংসদ সচিবালয়ের সচিব ব্যারিস্টার মো. গোলাম সরওয়ার ভূঁইয়া এবং জাপান দূতাবাসের দ্বিতীয় সচিব নিশি ইউকি উপস্থিত ছিলেন।
Logo
Live
হোম জাতীয় রাজনীতি সারাদেশ আন্তর্জাতিক খেলাধুলা বিনোদন মতামত
সারাদেশ
জনগণ সিদ্ধান্ত নিয়েছে, বিএনপি আগামী ৫ বছর দেশ পরিচালনা করবে: প্রধানমন্ত্রী
অনলাইন ডেস্ক
প্রকাশ: ১৭ জুন ২০২৬, ০৬:৫৬ পিএম
facebook sharing buttonmessenger sharing buttontwitter sharing buttonwhatsapp sharing buttonprint sharing buttoncopy sharing button
জনগণ সিদ্ধান্ত নিয়েছে, বিএনপি আগামী ৫ বছর দেশ পরিচালনা করবে: প্রধানমন্ত্রী
ad-img
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, জনগণ সিদ্ধান্ত নিয়েছে, বিএনপি আগামী ৫ বছর পর্যন্ত দেশ পরিচালনা করবে এবং জনগণকে দেওয়া সকল প্রতিশ্রুতি পালন করতে কাজ করবে। তাহলে জনগণের রায়ের বিরুদ্ধে যারা কথা বলে, যারা বলে বিএনপিকে সময় দেওয়া যাবে না, তাদের বিরুদ্ধে কী করা উচিত? তাদের ব্যাপারে সবাইকে সজাগ থাকতে হবে বলে সর্তক করেন তিনি।
আরও দেখুন
রাজনৈতিক বিশ্লেষণ
টিভি প্রোগ্রাম গাইড
TV & Video
বুধবার (১৭ জুন) বিকেলে মৌলভীবাজারে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কর্মসূচিতে তিনি এসব কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, দেশের মানুষ যেমন কাজ চায় তেমনি শান্তি ও ভালোভাবে বেঁচে থাকতে চায়। এরমধ্যে আর কোনো ব্যাপার আছে, আঁকাবাঁকা কিছু আছে? সোজা হিসাব এটা। তাহলে সকলকে চোখ-কান খোলা রাখতে হবে। বর্তমান সরকার জনগণ ও দেশের জন্য কাজ করছে।
আরও দেখুন
বাংলাদেশের খবর
সংবাদ বিশ্লেষণ
Arts & Entertainment
তিনি আরও বলেন, অতীতে দেখেছি, বিএনপিকে এক মুহূর্ত শান্তিতে থাকতে দেওয়া যাবে না, বলা হয়েছিল। বিএনপির বিরুদ্ধে বিভিন্ন সময়ে যারা একত্রিত হয়ে আন্দোলন-আন্দোলন খেলা খেলেছিল। এমনকি আন্দোলন-আন্দোলন ষড়যন্ত্র করেছিল গণতন্ত্রের বিরুদ্ধে, মানুষের ভোটের অধিকারের বিরুদ্ধে, সেই তারা এখনও আবার বলছে, সরকারকে সময় দেওয়া যাবে না।
আরও দেখুন
লাইভ টিভি স্ট্রিমিং
মোবাইল অ্যাপ
রাজনৈতিক আলোচনা
সরকারের বিভিন্ন কর্মসূচির কথা উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, যারা বলে সরকারকে সময় দেওয়া যাবে না, তারা নিজেদের স্বার্থে জনগণের বিরুদ্ধে কথা বলে।
বিএনপির শক্তির উৎস জনগণ উল্লেখ করে তিনি আরও বলেন, আমাদের রাজনীতি জনগণকে সঙ্গে নিয়েই। এই জনগণই ১২ তারিখের নির্বাচনে সরকার গঠনে সহায়তা করেছে। জনগণ পাশে ছিল বলেই গত এক যুগের আন্দোলনের ধারাবাহিকতায় ২০২৪ সালের ৫ আগস্টের সফলতা এসেছে।
আরও দেখুন
ব্রেকিং নিউজ
খেলাধুলা সংবাদ
ফুটবল বিশ্বকাপ
প্রধানমন্ত্রী বলেন, নির্বাচনের আগে আমরা দেশের মানুষের কাছে যে মেনিফেস্টো ও প্রতিশ্রুতি দিয়েছিলাম, নির্বাচনের ফলাফল প্রমাণ করেছে, সেটি শুধু বিএনপির মেনিফেস্টো ছিল না; বরং নির্বাচনের পর থেকেই তা বাংলাদেশের সংখ্যাগরিষ্ঠ মানুষের মেনিফেস্টোতে পরিণত হয়েছে। তাই আমাদের দেওয়া প্রতিশ্রুতি এখন শুধু দলের প্রতিশ্রুতি নয়, এটি জনগণের প্রতিশ্রুতি।
জনগণ সিদ্ধান্ত নিয়েছে, বিএনপি আগামী পাঁচ বছর দেশ পরিচালনা করবে: প্রধানমন্ত্রী
প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান বলেছেন, জনগণ সিদ্ধান্ত নিয়েছে বিএনপি আগামী পাঁচ বছর দেশ পরিচালনা করবে এবং জনগণের কাছে দেওয়া সব প্রতিশ্রুতি বাস্তবায়নে কাজ করবে।
বুধবার (১৭ জুন) বিকেলে মৌলভীবাজারে ফ্যামিলি কার্ড বিতরণ কর্মসূচিতে বক্তব্য দেওয়ার সময় তিনি এসব কথা বলেন।
প্রধানমন্ত্রী বলেন, জনগণের রায়ের বিরুদ্ধে যারা কথা বলে এবং যারা সরকারকে সময় দেওয়া যাবে না বলে মন্তব্য করে, তাদের বিষয়ে সবাইকে সতর্ক থাকতে হবে।
তিনি বলেন, দেশের মানুষ কাজ চায়, শান্তি চায় এবং স্বাভাবিকভাবে জীবনযাপন করতে চায়। তাই সরকার জনগণ ও দেশের স্বার্থে কাজ করে যাচ্ছে।
তারেক রহমান বলেন, অতীতে বিএনপিকে রাজনৈতিকভাবে বাধাগ্রস্ত করার চেষ্টা হয়েছে। বিভিন্ন সময়ে যারা আন্দোলনের নামে রাজনৈতিক অস্থিরতা তৈরির চেষ্টা করেছে, তারাই এখন সরকারকে সময় না দেওয়ার কথা বলছে।
বিএনপির শক্তির উৎস জনগণ উল্লেখ করে প্রধানমন্ত্রী বলেন, বিএনপির রাজনীতি জনগণকে সঙ্গে নিয়েই পরিচালিত হয়। জনগণের সমর্থনেই সরকার গঠিত হয়েছে এবং দেশের রাজনৈতিক পরিবর্তনের ধারাবাহিকতায় নতুন পরিস্থিতি তৈরি হয়েছে।
তিনি বলেন, নির্বাচনের আগে জনগণের কাছে দেওয়া দলের ইশতেহার ও প্রতিশ্রুতির প্রতি মানুষের সমর্থনই নির্বাচনের ফলাফলে প্রতিফলিত হয়েছে। এখন এসব প্রতিশ্রুতি শুধু দলের নয়, বরং জনগণের প্রত্যাশায় পরিণত হয়েছে।
প্রধানমন্ত্রী জানান, সরকার জনগণের প্রত্যাশা পূরণে কাজ করে যাবে এবং নির্বাচনী অঙ্গীকার বাস্তবায়নে অগ্রাধিকার দেবে।