বুধবার , ০৮ জুলাই ২০২৬
বুধবার , ০৮ জুলাই ২০২৬
হোমজাতীয়এআই ও ডিপফেকের অপব্যবহার ঠেকাতে সরকারের কার্যক্রম অব্যাহত: তথ্যমন্ত্রী

এআই ও ডিপফেকের অপব্যবহার ঠেকাতে সরকারের কার্যক্রম অব্যাহত: তথ্যমন্ত্রী

favicon
ভোরের আলো ডেস্ক:
এআই ও ডিপফেকের অপব্যবহার ঠেকাতে সরকারের কার্যক্রম অব্যাহত: তথ্যমন্ত্রী

কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা (এআই) ও ডিপফেক প্রযুক্তির অপব্যবহার থেকে ছড়ানো গুজব, ভুল তথ্য, বিভ্রান্তিকর প্রচারণা এবং সাইবার অপরাধ মোকাবিলায় সরকার নীতিগত ও প্রাতিষ্ঠানিক পদক্ষেপ গ্রহণ অব্যাহত রেখেছে বলে জানিয়েছেন তথ্য ও সম্প্রচারমন্ত্রী জহির উদ্দিন স্বপন। একই সঙ্গে গণমাধ্যমের স্বাধীনতা নিশ্চিত করেও এসব উদ্যোগ পরিচালনা করা হচ্ছে বলে তিনি উল্লেখ করেন।


বুধবার (৮ জুলাই) জাতীয় সংসদে সিরাজগঞ্জ-৪ আসনের বিরোধী দলের সদস্য মো. রফিকুল ইসলাম খানের লিখিত প্রশ্নের জবাবে মন্ত্রী এ তথ্য জানান।


জহির উদ্দিন স্বপন বলেন, এআই ও ডিপফেক প্রযুক্তির অপব্যবহার থেকে সৃষ্ট গুজব, ভুয়া তথ্য, বিভ্রান্তিকর কনটেন্ট এবং সাইবার বুলিং প্রতিরোধে তথ্য ও সম্প্রচার মন্ত্রণালয় বিভিন্ন কার্যক্রম বাস্তবায়ন করছে। এ ক্ষেত্রে মন্ত্রণালয়ের স্বায়ত্তশাসিত প্রতিষ্ঠান প্রেস ইনস্টিটিউট বাংলাদেশ (পিআইবি) পরিচালিত ‘বাংলাফ্যাক্ট’ ফ্যাক্ট-চেকিং ও মিডিয়া অ্যানালাইসিস উদ্যোগ গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করছে।

তিনি জানান, এ পর্যন্ত বাংলাফ্যাক্টের মাধ্যমে ৮৬০টি ফ্যাক্ট-চেক, বিশ্লেষণধর্মী প্রতিবেদন, অনুসন্ধানী প্রতিবেদন, ভিডিও ও রিল প্রকাশ করা হয়েছে। এর মধ্যে বর্তমান সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর প্রকাশিত হয়েছে ৩০৬টি।


সাংবাদিকদের দক্ষতা উন্নয়নের বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, ২০২৪ সালের ১ অক্টোবর থেকে ২০২৬ সালের জুন পর্যন্ত দেশের ৬৪ জেলায় ১৪১টি প্রশিক্ষণ কর্মশালার আয়োজন করা হয়েছে। এতে মোট ৬ হাজার ৭৭৪ জন সাংবাদিক অংশগ্রহণ করেছেন। বর্তমান সরকার দায়িত্ব গ্রহণের পর আয়োজিত ২০টি কর্মশালায় প্রশিক্ষণ নিয়েছেন ৭৩৯ জন সাংবাদিক।


তিনি আরও জানান, এআই, ডিজিটাল সাংবাদিকতা এবং ফ্যাক্ট-চেকিং বিষয়ে বিশেষায়িত প্রশিক্ষণ কার্যক্রমও নিয়মিত পরিচালিত হচ্ছে।


তথ্যমন্ত্রী বলেন, বাংলাফ্যাক্ট নিয়মিতভাবে ব্যক্তি ও প্রতিষ্ঠানের নামে পরিচালিত ভুয়া সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম অ্যাকাউন্ট, পেজ ও গ্রুপ শনাক্ত করছে। পাশাপাশি ভুল তথ্য ছড়ানোর সঙ্গে জড়িত বিভিন্ন ওয়েবসাইট ও সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম অ্যাকাউন্টও পর্যবেক্ষণের আওতায় আনা হচ্ছে।


তার ভাষ্য অনুযায়ী, বর্তমানে প্রতিদিন গড়ে তিন থেকে পাঁচটি তথ্য বা দাবি যাচাই করে প্রতিবেদন প্রকাশ করা হচ্ছে। এছাড়া গণমাধ্যমকর্মীদের জন্য একটি ‘ফ্যাক্ট-চেকিং ম্যানুয়াল’ প্রকাশের কাজও চূড়ান্ত পর্যায়ে রয়েছে।


জাতীয় ফ্যাক্ট-চেকিং কাঠামো প্রসঙ্গে মন্ত্রী বলেন, গণমাধ্যমের স্বাধীনতা অক্ষুণ্ন রেখে ডিজিটাল প্ল্যাটফর্মে গুজব, ভুল তথ্য ও সাইবার অপরাধ প্রতিরোধে প্রয়োজনীয় নীতিগত ও প্রাতিষ্ঠানিক ব্যবস্থা জোরদারে সংশ্লিষ্ট মন্ত্রণালয় ও সংস্থাগুলোর সমন্বিত কার্যক্রম অব্যাহত রয়েছে।