বৃহস্পতিবার , ৩০ জুলাই ২০২৬
বৃহস্পতিবার , ৩০ জুলাই ২০২৬
হোমজাতীয়ভারতের সম্পর্কের ভিত্তি ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ নীতি, ব্রিকসের আমন্ত্রণ পর্যালোচনায়: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

ভারতের সম্পর্কের ভিত্তি ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ নীতি, ব্রিকসের আমন্ত্রণ পর্যালোচনায়: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

favicon
ভোরের আলো ডেস্ক:
ভারতের সম্পর্কের ভিত্তি ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ নীতি, ব্রিকসের আমন্ত্রণ পর্যালোচনায়: পররাষ্ট্রমন্ত্রী

ভারতের আয়োজনে আসন্ন ব্রিকস শীর্ষ সম্মেলনে অংশগ্রহণের আমন্ত্রণ পাওয়ার বিষয়টি সরকার গুরুত্বের সাথে পর্যালোচনা করছে এবং এখনো চূড়ান্ত সিদ্ধান্ত হয়নি বলে জানিয়েছেন পররাষ্ট্রমন্ত্রী ড. খলিলুর রহমান। একই সাথে তিনি জোর দিয়ে বলেন, দুই দেশের সম্পর্ক পুনর্বিন্যাস বা ‘রিসেট’ করার বিষয়ে ঢাকা ও নতুন দিল্লি সম্পূর্ণ একমত।


বুধবার (২৯ জুলাই) বিকেলে নবনিযুক্ত ভারতীয় হাইকমিশনার দীনেশ ত্রিবেদীর সঙ্গে এক দ্বিপাক্ষিক বৈঠক শেষে সাংবাদিকদের এসব কথা জানান পররাষ্ট্রমন্ত্রী।


পররাষ্ট্রমন্ত্রী স্পষ্ট করে বলেন, "আমরা সবসময় ‘বাংলাদেশ ফার্স্ট’ নীতিতে বিশ্বাসী। সার্বভৌম সমতা ও পারস্পরিক স্বার্থকে অগ্রাধিকার দিয়ে দুই দেশের বহুমাত্রিক সম্পর্ককে এক নতুন উচ্চতায় নিয়ে যাওয়ার বিষয়ে আমরা একমত হয়েছি।"


আন্তর্জাতিক সম্পর্কের কৌশল তুলে ধরে তিনি আরও বলেন, "কোনো দেশের সঙ্গেই বাংলাদেশের সম্পর্ক ‘জিরো-সাম গেম’ (Zero-sum game) নীতিতে চলে না। অর্থাৎ, একটি দেশের সঙ্গে সম্পর্কের উন্নয়ন ঘটানো মানে অন্য দেশের ক্ষতি করা নয়। আমাদের স্বার্থ যেখানে সংরক্ষিত হবে, আমরা সেই পারস্পরিক সুবিধার নীতিতেই এগিয়ে যাব।"


উদাহরণ টেনে ড. খলিলুর রহমান বলেন, "সম্প্রতি চীনে একটি সফল সফর সম্পন্ন হয়েছে। একইভাবে ভবিষ্যতে প্রধানমন্ত্রী তারেক রহমান ভারত সফরে গেলে সেই সফরটিও দারুণ ফলপ্রসূ হবে বলে আমরা আশাবাদী।"


এদিকে, মার্কিন প্রেসিডেন্টের বিশেষ দূতের সাম্প্রতিক ঢাকা সফর নিয়ে সাংবাদিকদের এক প্রশ্নের জবাবে পররাষ্ট্রমন্ত্রী জানান, বাণিজ্য চুক্তি বাস্তবায়নে যুক্তরাষ্ট্র বা অন্য কোনো দেশের তরফ থেকে সরকার কোনো ধরনের চাপ অনুভব করছে না। ওয়াশিংটনের সঙ্গে সম্পর্ক বহুমুখী এবং তারা এই দ্বিপাক্ষিক সম্পর্ককে আরও সুদৃঢ় করতে আগ্রহী।