‘ককরোচ জনতা পার্টি’ প্রতিষ্ঠাতার বাবার সম্পদের তদন্তের দাবি
ভারতের স্বঘোষিত ‘ককরোচ জনতা পার্টি’র প্রতিষ্ঠাতা অভিজিৎ দীপকের বাবার আর্থিক লেনদেন ও সম্পদের উৎস তদন্তের দাবি তুলেছেন গুজরাতের সুরাটের তথ্য অধিকার (আরটিআই) কর্মী অমিত তিওয়ারি।
অমিত তিওয়ারির অভিযোগ, অভিজিৎ দীপকের বাবা ভগবানরাও দীপকে মহারাষ্ট্র ইন্ডাস্ট্রিয়াল ডেভেলপমেন্ট করপোরেশনের (এমআইডিসি) একজন জুনিয়র ইঞ্জিনিয়ার ছিলেন। তার মাসিক বেতন ছিল প্রায় ৬০ থেকে ৬৫ হাজার রুপি। সেই আয়ে কীভাবে সন্তানদের যুক্তরাষ্ট্রে উচ্চশিক্ষার ব্যয় বহন করা হয়েছে, তা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন বলে দাবি করেন তিনি।
অভিজিৎ দীপক যুক্তরাষ্ট্রের বোস্টন ইউনিভার্সিটির স্নাতক। গত ৬ জুন ভারতে ফিরে তিনি ‘ককরোচ জনতা পার্টি’ নামে একটি রাজনৈতিক উদ্যোগের কার্যক্রম শুরু করেন।
অমিত তিওয়ারি বলেন, তদন্তে যদি আয়ের সঙ্গে সম্পদের অসামঞ্জস্য পাওয়া যায়, তাহলে সংশ্লিষ্টদের বিরুদ্ধে আইনানুগ ব্যবস্থা নেওয়া উচিত।
এছাড়া ‘ককরোচ জনতা পার্টি’র রাজনৈতিক বৈধতা এবং তহবিল সংগ্রহের বিষয়েও প্রশ্ন তুলেছেন তিনি। তার দাবি, দলটি যদি ১৯৫১ সালের জনপ্রতিনিধিত্ব আইনের ২৯এ ধারার আওতায় নির্বাচন কমিশনে নিবন্ধিত না হয়ে থাকে, তাহলে রাজনৈতিক দলের পরিচয়ে কার্যক্রম পরিচালনা বা অনুদান সংগ্রহের বৈধতা খতিয়ে দেখা প্রয়োজন।
তবে এ অভিযোগগুলোর বিষয়ে অভিজিৎ দীপক বা ‘ককরোচ জনতা পার্টি’র পক্ষ থেকে তাৎক্ষণিক কোনো প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি।