সোমবার , ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
সোমবার , ২১ সেপ্টেম্বর ২০২৬
হোমসারা দেশখুলনায় বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রকে পিটিয়ে হত্যার বিচারের দাবিতে বিক্ষোভ

খুলনায় বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রকে পিটিয়ে হত্যার বিচারের দাবিতে বিক্ষোভ

favicon
ভোরের আলো ডেস্ক:
খুলনায় বিশ্ববিদ্যালয় ছাত্রকে পিটিয়ে হত্যার বিচারের দাবিতে বিক্ষোভ

খুলনায় মেসে অন্যের খাবার খাওয়াকে কেন্দ্র করে নর্থ ওয়েস্টার্ন ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থী মো. আজমল হোসেনকে মারধরের ঘটনায় মৃত্যুর অভিযোগ উঠেছে। এ ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও বিচারের দাবিতে খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও শিক্ষকরা বিক্ষোভ করেছেন। পুলিশ জানিয়েছে, কয়েকজন অভিযুক্তকে শনাক্ত করা হয়েছে এবং তাদের গ্রেপ্তারের চেষ্টা চলছে।


মেসে অন্যের ভাত খাওয়াকে কেন্দ্র করে খুলনার নর্থ ওয়েস্টার্ন ইউনিভার্সিটির শিক্ষার্থী মো. আজমল হোসেনকে মারধরের ঘটনায় মৃত্যুর অভিযোগের প্রতিবাদে বিক্ষোভ করেছেন খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের শিক্ষার্থী ও শিক্ষকরা।


রোববার (২০ সেপ্টেম্বর) বিশ্ববিদ্যালয়ের হাদি চত্বরে ঘণ্টাব্যাপী এ বিক্ষোভ কর্মসূচি অনুষ্ঠিত হয়।


বিক্ষোভে বক্তারা বলেন, আজমল হোসেনের মৃত্যুর ঘটনায় জড়িতদের শনাক্ত করে দ্রুত আইনের আওতায় আনতে হবে। একই সঙ্গে কোনো ধরনের মব জাস্টিসের পক্ষে তারা নন বলেও জানান শিক্ষার্থীরা।


জানা গেছে, এ ঘটনায় নিহতের বাবা কুতুব উদ্দিন শনিবার (১৯ সেপ্টেম্বর) রাতে হরিণটানা থানায় মামলা করেছেন। মামলায় চারজনের নাম উল্লেখ করে আরও ২০ থেকে ৩০ জন অজ্ঞাত ব্যক্তিকে আসামি করা হয়েছে। তবে এখন পর্যন্ত কাউকে গ্রেপ্তার করতে পারেনি পুলিশ।


খুলনা বিশ্ববিদ্যালয়ের ছাত্রবিষয়ক পরিচালক অধ্যাপক ড. মো. সালাউদ্দিন বলেন, হত্যাকাণ্ডের সঙ্গে বর্তমান ও সাবেক শিক্ষার্থীদের সম্পৃক্ততার তথ্য পাওয়া গেছে। এ ঘটনায় পুলিশ প্রশাসনকে বিশ্ববিদ্যালয় প্রশাসনের পক্ষ থেকে সব ধরনের সহযোগিতা করা হবে।


কেএমপির উপকমিশনার (দক্ষিণ) মো. রেজাউর রহমান জানান, ঘটনায় জড়িত বেশ কয়েকজনকে শনাক্ত করা হয়েছে। তাদের গ্রেপ্তারে পুলিশ কাজ করছে।


নিহত আজমল হোসেন খুলনার নর্থ ওয়েস্টার্ন ইউনিভার্সিটির ইংরেজি বিভাগের প্রথম বর্ষের শিক্ষার্থী ছিলেন। তিনি বিশ্ববিদ্যালয়ের পাশের একটি মেসে থাকতেন।


পরিবার ও সংশ্লিষ্টদের বরাতে জানা গেছে, শুক্রবার মেসের অন্য এক সদস্যের ভাত খেয়ে ফেলার অভিযোগ ওঠে আজমলের বিরুদ্ধে। এ নিয়ে একপর্যায়ে মেসের কয়েকজন সদস্য তাকে ভবনের ছাদে নিয়ে মারধর করেন। পরে সেখান থেকে পড়ে গুরুতর আহত হন তিনি।


আজমলের হাত-পাসহ শরীরের বিভিন্ন স্থানে আঘাতের চিহ্ন ছিল। তার মাথার চুলও কাটা হয়েছিল বলে জানা গেছে। পরে স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে হাসপাতালে নিয়ে গেলে চিকিৎসক মৃত ঘোষণা করেন।


এ ঘটনায় জড়িতদের দ্রুত গ্রেপ্তার ও দৃষ্টান্তমূলক বিচারের দাবি জানিয়েছেন বিক্ষোভে অংশ নেওয়া শিক্ষার্থী ও শিক্ষকরা।