জামায়াত ও আওয়ামী লীগ এক হয়ে
একাত্তরের রাজাকার জামায়াত ও চব্বিশের রাজাকার আওয়ামী লীগ এক হয়ে দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ববিরোধী চক্রান্ত শুরু করেছে বলে মন্তব্য করেছেন প্রধানমন্ত্রীর রাজনৈতিক সহকারী রাশেদ খাঁন। তিনি অভিযোগ করেন, ভারতে অবস্থান করে আওয়ামী লীগের নেতাকর্মীরা দেশে অশান্তি সৃষ্টির পাঁয়তারা করছেন।
জামায়াত ও আওয়ামী লীগের চক্রান্ত মোকাবিলায় আগামী তিন মাস জাতীয়তাবাদী শক্তি ও বাংলাদেশপন্থীদের ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানান তিনি।
রোববার (৮ নভেম্বর) বিকেলে ঝিনাইদহের কালীগঞ্জে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আয়োজিত আলোচনা সভা ও র্যালি শেষে সাংবাদিকদের সঙ্গে আলাপকালে এসব কথা বলেন রাশেদ খাঁন।
নভেম্বর, ডিসেম্বর ও জানুয়ারি মাস পর্যন্ত বিএনপি ও যুবদলের নেতাকর্মীদের ঐক্যবদ্ধ থাকার আহ্বান জানিয়ে তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী যখন দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাচ্ছেন, তখন দেশের স্বাধীনতা ও সার্বভৌমত্ব নিয়ে দেশি-বিদেশি চক্রান্ত শুরু হয়েছে।
তিনি আরও বলেন, ১৯৯৬ সালে জামায়াত ও আওয়ামী লীগ তৎকালীন বিএনপি সরকারের বিরুদ্ধে যেভাবে চক্রান্ত করেছিল, এবারও একইভাবে তারা ষড়যন্ত্র শুরু করেছে।
জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস প্রসঙ্গে রাশেদ খাঁন বলেন, ১৯৭৫ সালের ৩ নভেম্বর ভারতের ইন্ধনে অভ্যুত্থানের অপচেষ্টা চালানো হয়েছিল। বাংলাদেশকে ভারতের করদরাজ্যে পরিণত করার সেই নীলনকশা বীর সিপাহি-জনতা রুখে দিয়েছিল।
তিনি বলেন, দেশে ১৯৬৯ সালে গণঅভ্যুত্থান হয়েছে, ১৯৯০ সালে স্বৈরাচার এরশাদবিরোধী গণঅভ্যুত্থান হয়েছে এবং ২০২৪ সালেও গণঅভ্যুত্থান হয়েছে। তবে দেশের সার্বভৌমত্ব রক্ষায় একবারই বিপ্লব হয়েছে। সেটি হলো ১৯৭৫ সালের ৭ নভেম্বরের সিপাহি-জনতার বিপ্লব।
এর আগে বিকেলে কালীগঞ্জ উপজেলা শহরের মোবারক আলী মাধ্যমিক বিদ্যালয় মাঠে জাতীয় বিপ্লব ও সংহতি দিবস উপলক্ষে আয়োজিত সমাবেশে যোগ দেন রাশেদ খাঁন। পরে দিবসটি উপলক্ষে একটি র্যালি বের করা হয়।
র্যালিতে জেলা বিএনপির সাধারণ সম্পাদক জাহিদুজ্জামান মনা, কালীগঞ্জ উপজেলা বিএনপির সাবেক যুগ্ম আহ্বায়ক হামিদুল ইসলাম হামিদ, সাবেক সহসভাপতি তবিবুর রহমান মিন্নিসহ বিএনপি ও অঙ্গসহযোগী সংগঠনের নেতাকর্মীরা উপস্থিত ছিলেন।