সোমবার , ১৯ অক্টোবর ২০২৬
সোমবার , ১৯ অক্টোবর ২০২৬
হোম › বিশ্ব › আইসিসির গ্রেপ্তারি হুমকির পরও নিউইয়র্ক সফরের পরিকল্পনায় নেতানিয়াহু

আইসিসির গ্রেপ্তারি হুমকির পরও নিউইয়র্ক সফরের পরিকল্পনায় নেতানিয়াহু

favicon
অনলাইন সংস্করণ
আইসিসির গ্রেপ্তারি হুমকির পরও নিউইয়র্ক সফরের পরিকল্পনায় নেতানিয়াহু

আন্তর্জাতিক অপরাধ আদালতের (আইসিসি) গ্রেপ্তারি পরোয়ানা কার্যকরের হুমকি সত্ত্বেও নিউইয়র্ক সফরের পরিকল্পনা অব্যাহত রেখেছেন ইসরায়েলের প্রধানমন্ত্রী বেনিয়ামিন নেতানিয়াহু। বুধবার নিউইয়র্ক টাইমসের ডিলবুক ফোরামে এক ভার্চুয়াল সাক্ষাৎকারে তিনি নিশ্চিত করেন যে তিনি নিউইয়র্কে যাবেন।


সাক্ষাৎকারে নবনির্বাচিত মেয়র মামদানির সঙ্গে বৈঠকের বিষয়ে জানতে চাইলে নেতানিয়াহু বলেন, “যদি তিনি (মামদানি) মত বদলে ইসরায়েলের অস্তিত্বের অধিকার স্বীকার করেন, তাহলে আলোচনার জন্য সেটি একটি ভালো সূচনা হবে।”


মামদানি নিউইয়র্কের প্রথম মুসলিম ও দক্ষিণ এশীয় বংশোদ্ভূত মেয়র। তিনি ঘোষণা করেছেন, আইসিসির গ্রেপ্তারি পরোয়ানা থাকা বিশ্বনেতাদের—যেমন নেতানিয়াহু বা রাশিয়ার প্রেসিডেন্ট ভ্লাদিমির পুতিন—নিউইয়র্কে প্রবেশ করলে গ্রেপ্তার করা হবে।


গত বছর আইসিসি জানিয়েছিল, ২০২৩ সালের ৭ অক্টোবর হামাসের হামলার পর গাজায় নির্বিচার হামলার দায়ে নেতানিয়াহু যুদ্ধাপরাধ ও মানবতাবিরোধী অপরাধে অভিযুক্ত হতে পারেন—এর যথেষ্ট কারণ রয়েছে। তবে ইসরায়েল এ অভিযোগগুলো দৃঢ়ভাবে অস্বীকার করেছে। ইসরায়েল, যুক্তরাষ্ট্র ও রাশিয়া কেউই আইসিসির সদস্য নয়।


তবে আইসিসির পরোয়ানা থাকা নেতানিয়াহুকে নিউইয়র্কে গ্রেপ্তার করা বাস্তবে অসম্ভব বলে মনে করা হচ্ছে। এ ধরনের পদক্ষেপ গ্রহণে একজন শহরের মেয়রের ক্ষমতা কতটুকু—তা নিয়েও ব্যাপক প্রশ্ন রয়েছে। যুক্তরাষ্ট্রের অভিবাসন ব্যবস্থা পরিচালনা করে ফেডারেল সরকার।


ট্রাম্প প্রশাসন ইসরায়েলের পক্ষে কড়া অবস্থান নিয়েছিল এবং আইসিসির বিচারক ও প্রসিকিউটরদের ওপর নিষেধাজ্ঞা পর্যন্ত আরোপ করেছিল। নিউইয়র্ক বিশ্বের ইসরায়েলের বাইরের সবচেয়ে বড় ইহুদি জনসংখ্যার শহর এবং একই সঙ্গে জাতিসংঘের সদর দপ্তরও এখানে। ফলে নেতানিয়াহুর সফর এখানে গুরুত্বপূর্ণ হয়ে ওঠে। আন্তর্জাতিক চুক্তি অনুযায়ী, জাতিসংঘের কার্যক্রমের জন্য যুক্তরাষ্ট্রকে ভিসা প্রদান বাধ্যতামূলক।


যদিও এমন আগে ঘটেছে—গত সেপ্টেম্বরে ফিলিস্তিনি নেতা মাহমুদ আব্বাসকে যুক্তরাষ্ট্রে প্রবেশের অনুমতি দেয়নি ট্রাম্প প্রশাসন।


সূত্র: এএফপি