সোমবার , ১৯ অক্টোবর ২০২৬
সোমবার , ১৯ অক্টোবর ২০২৬
হোম › বিশ্ব › ইরানের সরকারবিরোধী বিক্ষোভে নিরাপত্তা ঝুঁকি: মধ্যপ্রাচ্যে ফ্লাইট বাতিল

ইরানের সরকারবিরোধী বিক্ষোভে নিরাপত্তা ঝুঁকি: মধ্যপ্রাচ্যে ফ্লাইট বাতিল

favicon
ভোরের আলো ডেস্ক:
ইরানের সরকারবিরোধী বিক্ষোভে নিরাপত্তা ঝুঁকি: মধ্যপ্রাচ্যে ফ্লাইট বাতিল

ইরানের চলমান সরকারবিরোধী বিক্ষোভের কারণে নিরাপত্তা সতর্কতার অংশ হিসেবে শুক্রবার (৯ জানুয়ারি) আন্তর্জাতিক বিভিন্ন এয়ারলাইন্স ইরানের রুটে ফ্লাইট বাতিল করেছে। টার্কিশ এয়ারলাইনস তেহরানের সঙ্গে সংযুক্ত ৫টি ফ্লাইট স্থগিত করেছে। সংযুক্ত আরব আমিরাতের দুবাই থেকে ইরানের বিভিন্ন শহরে অন্তত ১৭টি ফ্লাইট বাতিল হয়েছে।


দোহার হামাদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর জানায়, দোহা–তেহরান রুটের দুটি ফ্লাইটও বাতিল হয়েছে। বাতিল হওয়া রুটের মধ্যে তেহরান, শিরাজ ও মাশহাদসহ গুরুত্বপূর্ণ শহরগুলো রয়েছে।


ফ্লাইদুবাই কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ইরানগামী সব ফ্লাইট স্থগিত করা হয়েছে এবং পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। তবে বাতিলের সুনির্দিষ্ট কারণ প্রকাশ করা হয়নি।


তুর্কি মিডিয়ার খবরে বলা হয়েছে, টার্কিশ এয়ারলাইনস ১৭টি, আজেট ৬টি এবং পেগাসাস এয়ারলাইনস ইরানের কয়েকটি রুটে ফ্লাইট বাতিল করেছে। কাতারের দোহা–তেহরান রুটেও অন্তত দুটি ফ্লাইট বাতিল হয়েছে।


দোহার হামাদ আন্তর্জাতিক বিমানবন্দর জানায়, দোহা–তেহরান রুটের দুটি ফ্লাইটও বাতিল হয়েছে। বাতিল হওয়া রুটের মধ্যে তেহরান, শিরাজ ও মাশহাদসহ গুরুত্বপূর্ণ শহরগুলো রয়েছে।


ফ্লাইদুবাই কর্তৃপক্ষ জানিয়েছে, ইরানগামী সব ফ্লাইট স্থগিত করা হয়েছে এবং পরিস্থিতি পর্যবেক্ষণ করে পরবর্তী সিদ্ধান্ত নেওয়া হবে। তবে বাতিলের সুনির্দিষ্ট কারণ প্রকাশ করা হয়নি।


তুর্কি মিডিয়ার খবরে বলা হয়েছে, টার্কিশ এয়ারলাইনস ১৭টি, আজেট ৬টি এবং পেগাসাস এয়ারলাইনস ইরানের কয়েকটি রুটে ফ্লাইট বাতিল করেছে। কাতারের দোহা–তেহরান রুটেও অন্তত দুটি ফ্লাইট বাতিল হয়েছে।


বিশ্লেষকেরা মনে করছেন, ইরানের সামগ্রিক রাজনৈতিক ও অর্থনৈতিক অস্থিরতা এই ফ্লাইট বাতিলের মূল কারণ। গত মাসের শেষের দিকে তেহরান থেকে শুরু হওয়া বিক্ষোভ দ্রুত ৩১টি প্রদেশে ছড়িয়ে পড়ে।


প্রথমে ব্যবসায়ীরা হঠাৎ রিয়ালের পতন, উচ্চ মূল্যস্ফীতি ও অর্থনৈতিক সংকটকে কেন্দ্র করে আন্দোলন শুরু করলেও, পরে তরুণদের বড় অংশ এতে যোগ দেয়। বিক্ষোভ দমনে ইরানজুড়ে ইন্টারনেট সংযোগও সীমিত বা বন্ধ রাখা হয়েছে।


যুক্তরাষ্ট্রভিত্তিক মানবাধিকার সংস্থা এইচআরএএনএ জানিয়েছে, সাম্প্রতিক অস্থিরতায় অন্তত ৩৪ জন বিক্ষোভকারী এবং ৪ জন নিরাপত্তা সদস্য নিহত হয়েছেন, এবং দুই হাজারের বেশি মানুষ গ্রেপ্তার হয়েছে।


বিশ্লেষকদের মতে, এই অস্থিরতা শুধু অর্থনৈতিক সংকট নয়, বরং শাসন ব্যবস্থার প্রতি মানুষের আস্থা হারানোর প্রতিফলনও প্রকাশ করছে। ইরানের অভ্যন্তরীণ অস্থিরতা এখন আন্তর্জাতিক যোগাযোগ ও পরিবহনেও প্রভাব ফেলছে।