শুক্রবার , ৩১ জুলাই ২০২৬
শুক্রবার , ৩১ জুলাই ২০২৬
হোমজাতীয়দ্বিতীয় প্রান্তিকে কমেছে যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, উদ্বেগে জ্বালানির দাম

দ্বিতীয় প্রান্তিকে কমেছে যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, উদ্বেগে জ্বালানির দাম

favicon
ভোরের আলো ডেস্ক:
দ্বিতীয় প্রান্তিকে কমেছে যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি, উদ্বেগে জ্বালানির দাম

চলতি বছরের দ্বিতীয় প্রান্তিকে যুক্তরাষ্ট্রের অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি কমে এসেছে। সরকারি তথ্য অনুযায়ী, এপ্রিল থেকে জুন পর্যন্ত তিন মাসে বিশ্বের বৃহত্তম অর্থনীতির প্রবৃদ্ধি বার্ষিক হিসাবে দাঁড়িয়েছে ১ দশমিক ৫ শতাংশ।


যুক্তরাষ্ট্রের বাণিজ্য বিভাগ জানিয়েছে, বছরের প্রথম প্রান্তিকে দেশটির অর্থনৈতিক প্রবৃদ্ধি ছিল ২ দশমিক ১ শতাংশ। তবে দ্বিতীয় প্রান্তিকে তা কমে ১ দশমিক ৫ শতাংশে নেমে এসেছে, যা বিশ্লেষকদের পূর্বাভাসের তুলনায়ও কিছুটা কম।


সরকারি ব্যয় হ্রাস, বিনিয়োগে ধীরগতি এবং রপ্তানি কমে যাওয়াকে প্রবৃদ্ধি কমার প্রধান কারণ হিসেবে উল্লেখ করা হয়েছে। তবে ভোক্তাদের ব্যয় বৃদ্ধি অর্থনীতিকে আংশিকভাবে সহায়তা করেছে।


বিশ্লেষকদের মতে, মধ্যপ্রাচ্যের চলমান সংঘাত এবং যুক্তরাষ্ট্রের নতুন শুল্কনীতির প্রভাব ব্যবসায়িক খাতে চাপ সৃষ্টি করছে। পাশাপাশি আন্তর্জাতিক বাজারে জ্বালানি তেলের দাম বাড়ায় অর্থনীতিতে নতুন উদ্বেগ তৈরি হয়েছে।


এদিকে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে যুক্তরাষ্ট্রের কেন্দ্রীয় ব্যাংক ফেডারেল রিজার্ভ টানা পঞ্চমবারের মতো সুদের হার অপরিবর্তিত রাখার সিদ্ধান্ত নিয়েছে। ফেডের চেয়ারম্যান কেভিন ওয়ার্শ বলেছেন, মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে কোনো সহজ বা তাৎক্ষণিক সমাধান নেই।


ফেডের ২ শতাংশ লক্ষ্যমাত্রার তুলনায় যুক্তরাষ্ট্রে মূল্যস্ফীতির হার এখনও বেশি থাকলেও বাণিজ্য বিভাগের তথ্য অনুযায়ী, ভোক্তাদের ব্যয়ের প্রবণতা এখনো শক্তিশালী রয়েছে।


ফেডারেল রিজার্ভ জানিয়েছে, মধ্যপ্রাচ্যের পরিস্থিতি নিয়ে অনিশ্চয়তা থাকলেও যুক্তরাষ্ট্রের সামগ্রিক অর্থনৈতিক কর্মকাণ্ড স্থিতিশীল রয়েছে।


তবে সাম্প্রতিক সংঘাতের প্রভাবে আন্তর্জাতিক বাজারে অপরিশোধিত তেলের দাম আবারও বেড়েছে। বৃহস্পতিবার ব্রেন্ট ক্রুডের দাম ব্যারেলপ্রতি প্রায় ৯০ ডলারে পৌঁছেছে। একই সঙ্গে যুক্তরাষ্ট্রে গ্যাসোলিনের গড় মূল্যও আবার গ্যালনপ্রতি ৪ ডলারের ওপরে উঠে গেছে।


অর্থনীতিবিদদের মতে, জ্বালানি তেলের মূল্যবৃদ্ধি পরিবহন ও উৎপাদন ব্যয় বাড়ায়, যার প্রভাব শেষ পর্যন্ত ভোক্তা পর্যায়ে পণ্য ও সেবার দামের ওপর পড়ে। ফলে মূল্যস্ফীতি নিয়ন্ত্রণে নতুন চ্যালেঞ্জ তৈরি হতে পারে।