শিক্ষকদের মর্যাদা ও অধিকার সুরক্ষায় উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে: শিক্ষামন্ত্রী
বিগত সরকারের আমলে দেশের শিক্ষকরা নানাভাবে বঞ্চনা ও অবহেলার শিকার হয়েছেন বলে মন্তব্য করেছেন শিক্ষামন্ত্রী আ ন ম এহছানুল হক মিলন। তিনি বলেন, বর্তমান সরকার শিক্ষকদের মর্যাদা ও অধিকার সুরক্ষায় যথাযথ মূল্যায়নের উদ্যোগ নিয়েছে।
রোববার (৬ সেপ্টেম্বর) দুপুরে সচিবালয়ে শিক্ষা মন্ত্রণালয়ে আয়োজিত এক সংবাদ সম্মেলনে তিনি এসব কথা বলেন।
শিক্ষামন্ত্রী জানান, বিগত সরকারের সময়ে শিক্ষক মূল্যায়নে চরম বৈষম্য তৈরি হয়েছিল। তখন জাতীয় পর্যায়ে মাত্র ১২ জন শিক্ষককে নামমাত্র সম্মাননা দেওয়া হতো। বর্তমান সরকার সেই বঞ্চনা দূর করে স্বচ্ছ ও সুনির্দিষ্ট নীতিমালার ভিত্তিতে প্রকৃত যোগ্য শিক্ষকদের পুরস্কৃত করার সিদ্ধান্ত নিয়েছে।
তিনি জানান, আগামী ৫ অক্টোবর বিশ্ব শিক্ষক দিবস উপলক্ষে দেশের ১০০ জন কৃতী শিক্ষককে আনুষ্ঠানিকভাবে রাষ্ট্রীয় সম্মাননা ও পুরস্কার দেওয়া হবে।
শিক্ষকদের পেশাগত শৃঙ্খলা ও মর্যাদা রক্ষার বিষয়ে মন্ত্রী বলেন, সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমের যথেচ্ছ ব্যবহার ও অপব্যবহার রোধে শিক্ষকদের জন্য আধুনিক ও কার্যকর আচরণবিধি বা পৃথক নীতিমালা তৈরির কাজ চলছে।
এ ছাড়া অবসরপ্রাপ্ত শিক্ষকদের দীর্ঘদিনের ভোগান্তি—অবসর ভাতার অর্থ পেতে জটিলতা ও দীর্ঘসূত্রতা—চিরতরে নিরসনে মন্ত্রণালয় অগ্রাধিকার ভিত্তিতে কাজ করছে বলেও জানান তিনি।
মাধ্যমিক ও উচ্চ শিক্ষা বিভাগের সচিব আবদুল খালেক জানান, সরকারি চাকরিজীবীদের মতো এমপিওভুক্ত বেসরকারি শিক্ষাপ্রতিষ্ঠানের শিক্ষকরাও পে-স্কেলের সার্বিক সুবিধার আওতায় আসবেন।
তিনি বলেন, অর্থ মন্ত্রণালয়ের সঙ্গে সমন্বয় করে আনুষ্ঠানিক প্রজ্ঞাপন জারি হলে এ বিষয়ে নীতিগত সিদ্ধান্তের বিস্তারিত বিষয়গুলো স্পষ্ট হবে।